নিজস্ব প্রতিবেদক,
বুধবার ঢাকার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশনের সংস্কার সংলাপে এনসিসি প্রস্তাবটি আলোচনায় প্রাধান্য পায়। প্রস্তাব অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশন, দুদক ও পাবলিক সার্ভিস কমিশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ তদারক করবে স্বাধীন এ সংস্থা।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ জানান, এনসিসি গঠন হলে নির্বাহী বিভাগের কর্তৃত্ব ক্ষুণ্ন হবে। বরং তিনি বিচার বিভাগ ও নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী করার পক্ষে মত দেন।
এনসিপি নেতা খালেদ সাইফুল্লাহ অভিযোগ করেন, বিএনপি নিজেদের সুবিধামতো অবস্থান পরিবর্তন করছে। তিনি বলেন, “২০২২ সালে বিএনপি সার্চ কমিটির সমালোচনা করলেও এখন ক্ষমতায় যাওয়ার আশা দেখে অবস্থান বদলেছে।”
জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আজ সমর্থন জানানো হলেও তারা রাষ্ট্রপতি ও প্রধান বিচারপতিকে এনসিসি থেকে বাদ দেওয়ার পরামর্শ দেয়। এবি পার্টির সভাপতি মুজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, “জবাবদিহির কাঠামো ছাড়া গণতান্ত্রিক চেতনায় বিশ্বাসঘাতকতা হবে।”
গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি বলেন, “এনসিসির মতো তদারকি সংস্থা অনেক দেশেই রয়েছে। অন্তত তিনটি কমিশনে নিয়োগ এমন কাঠামোর মাধ্যমে হওয়া উচিত।”
জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশনের ভাইস-চেয়ারম্যান অধ্যাপক আলী রীয়াজ জানান, এনসিসির উদ্দেশ্য হচ্ছে নির্বাহী কর্তৃত্বে ভারসাম্য আনা।
সভায় অংশ নেওয়া ৩০ দলের বেশিরভাগই এনসিসির পক্ষে মত দিয়েছে।
প্রকাশক ও সম্পাদক : শহীদুল ইসলাম, বার্তা সম্পাদক : ফরহাদ হোসেন
০১৭২৫-৭৩৬৩৫৩, ০১৬০২-৯০৩৬২১ / ০১৭৭০-৪৯৪৯৮১
ঢাকা কার্যালয়ঃ কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
আঞ্চলিক কার্যালয়ঃ ডাকবাংলোপাড়া, বদলগাছী, নওগাঁ।
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ গণ সংবাদ২৪