
লাইফস্টাইল ডেস্ক: পড়াশোনা শেষ করার পথে ইন্টার্নশিপকে অনেকেই কেবল একটি আনুষ্ঠানিক বাধ্যবাধকতা কিংবা সনদপত্র অর্জনের মাধ্যম হিসেবে মনে করেন। অথচ এই ধারণাটি সঠিক নয়, কারণ একে কর্মজীবনে প্রবেশ করার আগের একটি সুবর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখা উচিত। প্রথাগত এই অভিজ্ঞতার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা তাদের অর্জিত তাত্ত্বিক জ্ঞান সরাসরি বাস্তব মাঠে প্রয়োগ করার সুযোগ পান। ফলে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার গণ্ডি পেরিয়ে পেশাদার দুনিয়ার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়া অনেক সহজ হয়ে ওঠে।
অনেক সময় দেখা যায় ইন্টার্নশিপে কোনো আর্থিক পারিশ্রমিক বা বেতন থাকে না, যার কারণে তরুণ প্রজন্মের অনেকেই এই সুযোগ গ্রহণে উৎসাহ হারিয়ে ফেলেন। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদী সুবিধার কথা চিন্তা করলে বেতনহীন এই কাজগুলো ক্যারিয়ারের ভিত শক্ত করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কাজের জায়গায় নিজের দক্ষতা প্রমাণ করা এবং কাজের পরিবেশের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার এই সুযোগ ভবিষ্যতে বড় চাকরি পাওয়ার পথকে সুগম করে তোলে।
একজন শিক্ষানবিস যখন কোনো প্রতিষ্ঠানে বিনা পারিশ্রমিকেও নিয়মিত কাজ করেন, তখন তিনি মূলত নেটওয়ার্কিং বা পেশাদার সম্পর্ক তৈরির সুযোগ পান। সেই প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞ সহকর্মী ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে উঠলে পরবর্তীতে বিভিন্ন চাকরির ক্ষেত্রে তারাই রেফারেন্স বা পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করতে পারেন। তা ছাড়া, কাজের খুঁটিনাটি শেখার মাধ্যমে নিজের আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বৃদ্ধি পায় যা চাকরি সাক্ষাৎকারে ভীষণ কাজে দেয়।
পরিশেষে বলা যায়, বর্তমানের প্রতিযোগিতাপূর্ণ শ্রমবাজারে কেবল ভালো সিজিপিএ বা ডিগ্রি থাকলেই চাকরি পাওয়া নিশ্চিত হয় না, এর পাশাপাশি বাস্তব অভিজ্ঞতাও অত্যন্ত জরুরি। তাই আর্থিক লাভের কথা না ভেবে ইন্টার্নশিপকে নিজের দক্ষতা শাণিত করার একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গ্রহণ করা উচিত। এই মনোভাব নিয়ে কাজ করলে তরুণরা খুব সহজেই নিজেদের কাঙ্ক্ষিত পেশাগত লক্ষ্য অর্জন করতে সক্ষম হবেন।
প্রকাশক ও সম্পাদক : শহীদুল ইসলাম, বার্তা সম্পাদক : ফরহাদ হোসেন
০১৭২৫-৭৩৬৩৫৩, ০১৬০২-৯০৩৬২১ / ০১৭৭০-৪৯৪৯৮১
ঢাকা কার্যালয়ঃ কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
আঞ্চলিক কার্যালয়ঃ ডাকবাংলোপাড়া, বদলগাছী, নওগাঁ।
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ গণ সংবাদ২৪