বুলবুল আহম্মেদ (বুলু), বিশেষ প্রতিনিধিঃ
দেশব্যাপী একযোগে প্রায় ৩০০ জন প্রতিনিধি ও স্টাফ রিপোর্টারের নিয়োগপত্র আগাম কোনো নোটিশ ছাড়াই বাতিল করার ঘটনায় চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে এশিয়ান টেলিভিশন এর সংশ্লিষ্টদের মধ্যে। আকস্মিক এই সিদ্ধান্তকে অনেকেই ‘অযৌক্তিক’ ও ‘আইনবহির্ভূত’ বলে অভিহিত করছেন।
প্রতিনিধিদের অভিযোগ, সাবেক চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ আনোয়ার এর মাধ্যমে সারা দেশ থেকে প্রায় ৩০০ প্রতিনিধির কাছ থেকে গড়ে এক লক্ষ টাকা করে মোট প্রায় তিন কোটি টাকা জামানত হিসেবে নেওয়া হয়েছিল। তবে ওই অর্থের কোনো সমাধান না করেই প্রতিষ্ঠানটির মালিকানা হস্তান্তর করা হয় লিয়াকত আলী খান মুকুল এর কাছে, যিনি রূপায়ণ গ্রুপ এর চেয়ারম্যান।
নতুন দায়িত্ব গ্রহণের পর ‘পূর্ণ গঠন’ এর কথা উল্লেখ করে একযোগে দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় কর্মরত প্রতিনিধিদের নিয়োগ বাতিল করা হয়, যা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগীরা বলছেন, কোনো পূর্ব নোটিশ বা কারণ দর্শানো ছাড়াই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যা শ্রম আইন ও ন্যায্যতার পরিপন্থী।
অনেক প্রতিনিধি মনে করছেন, ‘পুনর্গঠন’ এর আড়ালে নতুন করে নিয়োগের নামে পুনরায় অর্থ আদায়ের একটি কৌশল থাকতে পারে। এ পরিস্থিতিতে সারাদেশের ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিনিধিরা একজোট হয়ে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।
তাদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- নোটিশ ছাড়া চাকরিচ্যুতির কারণ ব্যাখ্যা, জমাকৃত জামানতের অর্থ ফেরত প্রদান এবং উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করা।
দাবি পূরণ না হলে মানববন্ধন, প্রতিবাদ সমাবেশসহ কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি গ্রহণের কথাও জানিয়েছেন তারা। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কার্যালয় ঘেরাও করার ঘোষণাও এসেছে প্রতিনিধিদের পক্ষ থেকে।
এ বিষয়ে এশিয়ান টেলিভিশন কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য এখনও পাওয়া যায়নি।
প্রকাশক ও সম্পাদক : শহীদুল ইসলাম, বার্তা সম্পাদক : ফরহাদ হোসেন
০১৭২৫-৭৩৬৩৫৩, ০১৬০২-৯০৩৬২১ / ০১৭৭০-৪৯৪৯৮১
ঢাকা কার্যালয়ঃ কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
আঞ্চলিক কার্যালয়ঃ ডাকবাংলোপাড়া, বদলগাছী, নওগাঁ।
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ গণ সংবাদ২৪