নিজস্ব প্রতিনিধি
নওগাঁর পোরশা ও সাপাহার এলাকায় গ্রাহকদের কয়েক কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাঁকো এনজিওর নির্বাহী পরিচালক মো. জোহুরুল ইসলাম ওরফে জহির (৪০)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার (৫ মার্চ) দুপুরে রংপুরে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানায়, জোহুরুল ইসলাম নওগাঁ জেলার পোরশা উপজেলার কাতিপুর গ্রামের বাসিন্দা। তাঁর স্থায়ী বাড়ি একই উপজেলার দুয়ারপাল গ্রামে। তাঁর বাবার নাম মো. রফিকুল ইসলাম।
নওগাঁ জেলা পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, জোহুরুল ইসলাম ওরফে জহির সাঁকো এনজিও পরিচালনার মাধ্যমে পোরশা ও সাপাহার এলাকার গ্রাহকদের কাছ থেকে প্রায় সাড়ে তিন থেকে চার কোটি টাকা সংগ্রহ করেন। পরে ওই টাকা আত্মসাৎ করে তিনি দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত কয়েকজন গ্রাহক বাদী হয়ে আদালতে একাধিক মামলা করেন।
মামলাগুলোর ভিত্তিতে আদালত তাঁর বিরুদ্ধে তিনটি সিআর সাজা পরোয়ানা ও চারটি সাধারণ সিআর পরোয়ানা জারি করেন। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর তাঁকে গ্রেপ্তারের জন্য নওগাঁ জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ অভিযান শুরু করা হয়।
পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের নির্দেশনায় সহকারী পুলিশ সুপার শ্যামলী রানী বর্মন ও পোরশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জিয়াউর রহমানের তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ দল অভিযান চালায়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় বুধবার দুপুরে রংপুর জেলার তাজহাট থানার আবু সাঈদ চত্বর মোড় এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের দাবি, আত্মগোপনে থাকার সময় জোহুরুল ইসলাম (জহির) বিভিন্ন ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন। এমনকি স্থানীয় লোকজনের কাছে তিনি নিজেকে ভারতে অবস্থান করছেন বলে প্রচার করতেন।
জোহুরুল ইসলামকে গ্রেপ্তারের খবরে পোরশা ও সাপাহার এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত গ্রাহকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এ বিষয়ে নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, জেলার বড় অপরাধী ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের গ্রেপ্তারে জেলা পুলিশের অভিযান জোরদার করা হয়েছে। এ ধরনের অপরাধীদের ধরতে জনগণকে তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।
প্রকাশক ও সম্পাদক : শহীদুল ইসলাম, বার্তা সম্পাদক : ফরহাদ হোসেন
০১৭২৫-৭৩৬৩৫৩, ০১৬০২-৯০৩৬২১ / ০১৭৭০-৪৯৪৯৮১
ঢাকা কার্যালয়ঃ কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
আঞ্চলিক কার্যালয়ঃ ডাকবাংলোপাড়া, বদলগাছী, নওগাঁ।
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ গণ সংবাদ২৪