
ভ্রমণ ডেস্ক: শারদীয় দুর্গাপূজার দীর্ঘ ছুটিকে কেন্দ্র করে ভ্রমণপিপাসুরা এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। যান্ত্রিক জীবনের ক্লান্তি ঝেয়ে ফেলতে অনেকেই প্রকৃতির কাছাকাছি সময় কাটানোর পরিকল্পনা করছেন। পাহাড়প্রেমী ও প্রকৃতিসন্ধানীদের জন্য এবার দারুণ এক গন্তব্য হতে পারে পাহাড়ি জেলা খাগড়াছড়ি। এখানকার আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথ এবং সবুজ প্রকৃতি পর্যটকদের মনে এক অন্যরকম প্রশান্তি এনে দেয়।
খাগড়াছড়ির চারপাশের নৈসর্গিক দৃশ্য যে কাউকে মুগ্ধ করার মতো। উঁচু-নিচু পাহাড়ের বুক চিরে বয়ে চলা ঝরনাগুলোর রূপ বর্ষার শেষ সময়ে আরও বেশি আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। প্রকৃতির এই অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভ্রমণপিপাসুরা এই জেলায় ছুটে আসেন। পাহাড়ি জনপদের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি এবং স্থানীয় জীবনযাত্রা পর্যটকদের ভ্রমণে এক ভিন্নমাত্রা যোগ করে।
ঢাকা কিংবা দেশের অন্যান্য বড় শহর থেকে সহজেই সড়কপথে খাগড়াছড়িতে যাতায়াত করা যায়। ছুটির দিনগুলোতে ভিড় এড়াতে অনেকেই এখন সাজেক বা তার আশপাশের পর্যটনকেন্দ্রের পাশাপাশি খাগড়াছড়ির ভেতরের দর্শনীয় স্থানগুলোকে বেছে নিচ্ছেন। এখানকার আলুটিলা গুহা, রিছাঝিল ঝরনা ও দেবতাছড়ির মতো জনপ্রিয় স্থানগুলো পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ। স্থানীয় প্রশাসন ও ব্যবসায়ীরাও পূজার ছুটিতে আগত পর্যটকদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে নানা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন।
পাহাড়ে ভ্রমণের সময় পরিবেশের পরিচ্ছন্নতা রক্ষা করা এবং স্থানীয় সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা জরুরি। খাগড়াছড়ি ভ্রমণে গিয়ে দর্শনার্থীরা পাহাড়ের আদিবাসী সংস্কৃতির সাথে পরিচিত হওয়ার পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী পাহাড়ি খাবারের স্বাদও নিতে পারেন। সব মিলিয়ে এবারের পূজার ছুটিতে পরিবার বা বন্ধুদের নিয়ে খাগড়াছড়িতে একটি স্মরণীয় ও রোমাঞ্চকর ভ্রমণ অভিজ্ঞতা অর্জন করা সম্ভব।
প্রকাশক ও সম্পাদক : শহীদুল ইসলাম, বার্তা সম্পাদক : ফরহাদ হোসেন
০১৭২৫-৭৩৬৩৫৩, ০১৬০২-৯০৩৬২১ / ০১৭৭০-৪৯৪৯৮১
ঢাকা কার্যালয়ঃ কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
আঞ্চলিক কার্যালয়ঃ ডাকবাংলোপাড়া, বদলগাছী, নওগাঁ।
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ গণ সংবাদ২৪