জয়পুরহাট সংবাদদাতা
জয়পুরহাট জেলার ক্ষেতলাল উপজেলার বটতলী ফাতেমা জহুরা মহিলা ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসার প্রভাষক মো. এমরান হোসাইন তাঁর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, কয়েকটি অনলাইন নিউজপোর্টাল ও কিছু দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদকে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন।
প্রভাষক এমরান হোসাইন জয়পুরহাটের তুলসীগঙ্গা ইউনিয়নের দাসরা গ্রামের বাসিন্দা। পিতা মো. আওলাদুল হক ও মাতা মোছা. তাছলিমা বিবির সন্তান তিনি।
এক প্রতিবাদলিপিতে এমরান হোসাইন বলেন, “আমি আলতা গ্রামের একটি মসজিদে ইমাম হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় এলাকার সাধারণ মানুষের সঙ্গে আমার সুসম্পর্ক ছিল। গত ১৮ অক্টোবর মামাতো বোনের বিয়েতে যোগ দিতে পাবনা যাচ্ছিলাম। পথে মুলামগাড়ি এলাকায় ১০-১৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ দুর্বৃত্ত দল আমাকে জোরপূর্বক গাড়ি থেকে নামিয়ে নিয়ে যায় এবং ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তারা আমাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে ও প্রাণনাশের হুমকি দেয়। পরে আমার মামা ঘটনাটি জানতে পেরে দেড় লাখ টাকা দিয়ে আমাকে উদ্ধার করেন।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, “ঘটনার পর কিছু তথাকথিত ফেসবুক সাংবাদিক আমার কাছে এক লাখ টাকা দাবি করে। তারা হুমকি দেয়, টাকা না দিলে আমার বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর সংবাদ প্রকাশ করবে। আমি টাকা দিতে রাজি না হলে তারা বিভিন্ন ফেসবুক পেজ, অনলাইন সংবাদমাধ্যম ও দৈনিক পাঞ্জেরীসহ কিছু পত্রিকায় আমার বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন সংবাদ প্রকাশ করে।”
প্রভাষক এমরান হোসাইন এসব সংবাদকে ‘সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে অভিহিত করে বলেন, “এ ধরনের অপপ্রচার সাংবাদিকতার নীতিবিরুদ্ধ। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।”
প্রকাশক ও সম্পাদক : শহীদুল ইসলাম, বার্তা সম্পাদক : ফরহাদ হোসেন
০১৭২৫-৭৩৬৩৫৩, ০১৬০২-৯০৩৬২১ / ০১৭৭০-৪৯৪৯৮১
ঢাকা কার্যালয়ঃ কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
আঞ্চলিক কার্যালয়ঃ ডাকবাংলোপাড়া, বদলগাছী, নওগাঁ।
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ গণ সংবাদ২৪