
খেলা ডেস্ক: ফুটবল বিশ্বের অন্যতম সেরা তারকা লিওনেল মেসির জাতীয় দল কিংবা কোনো বিশেষ পর্ব থেকে বিদায়ের ক্ষণটি সবসময়ই ভক্ত ও সতীর্থদের জন্য অত্যন্ত আবেগঘন হয়ে থাকে। সম্প্রতি এমনই এক বিদায়লগ্নে আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজের মনের গভীরে লুকিয়ে থাকা পুরনো স্মৃতিগুলো হঠাৎ করেই জীবন্ত হয়ে ওঠে। প্রিয় অধিনায়কের চোখ গলে নেমে আসা জলের ফোঁটা এবং তাঁর সেই বেদনাবিধুর মুখাবয়ব গভীরভাবে নাড়া দেয় তরুণ এই ফুটবলারকে। মাঠের ভেতরে এবং বাইরে মেসির সাহচর্য ও নেতৃত্ব কীভাবে সতীর্থদের অনুপ্রাণিত করেছে, সেই মুহূর্তটি যেন তারই এক নীরব বহিঃপ্রকাশ ছিল।
প্রিয় সতীর্থ ও গুরুর এমন বিদায়ের দৃশ্য মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগের বিভিন্ন মাধ্যমে, যা বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর হৃদয়কে আর্দ্র করে তোলে। এনজো ফার্নান্দেজের স্মৃতিতে ভেসে ওঠে অতীতের সেই দিনগুলোর কথা, যখন তিনি নিতান্তই একজন ১৫ বছরের কিশোর হিসেবে ফুটবলের জাদুকরকে কেবল দূর থেকে স্বপ্নীল দৃষ্টিতে দেখতেন। সেদিনকার সেই সাধারণ কিশোর থেকে আজকের বিশ্বজয়ী দলের গুরুত্বপূর্ণ মিডফিল্ডার হয়ে ওঠার দীর্ঘ যাত্রায় মেসির অবদান ও উপস্থিতি কতটা গভীর ছিল, তা এই বিদায়বেলায় আরও বেশি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
মাঠের কঠিন লড়াইয়ে সবসময় দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া মেসিকে এভাবে আবেগপ্রবণ হতে দেখে সহ্য করতে পারেননি তরুণ সতীর্থরাও। এনজো ফার্নান্দেজের চোখেও সেই সময় ফিরে এসেছিল বহু বছর আগের সেই কিশোরসুলভ মুগ্ধতা ও বিস্ময়, যা তাঁকে শৈশবের দিনগুলোতে ফিরিয়ে নিয়ে গিয়েছিল। সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে এই দৃশ্যটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয় এবং ফুটবল অনুসারীরা স্বীকার করেন যে, কেবল একজন খেলোয়াড় হিসেবে নয়, বরং একজন আদর্শ মানুষ ও অনুপ্রেরণাদাতা হিসেবে সতীর্থদের হৃদয়ে চিরস্থায়ী আসন করে নিয়েছেন এই আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
প্রকাশক ও সম্পাদক : শহীদুল ইসলাম, বার্তা সম্পাদক : ফরহাদ হোসেন
০১৭২৫-৭৩৬৩৫৩, ০১৬০২-৯০৩৬২১ / ০১৭৭০-৪৯৪৯৮১
ঢাকা কার্যালয়ঃ কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
আঞ্চলিক কার্যালয়ঃ ডাকবাংলোপাড়া, বদলগাছী, নওগাঁ।
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ গণ সংবাদ২৪