
বৃহস্প্রতিবার (১০ এপ্রিল) দুপুরে যশোরের নাভারণ সার্কেলের সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার নিশাত আল নাহিয়ান বিয়ষটি নিশ্চিত করেন।

এর আগে অভিভাবকদের দেওয়া অভিযোগের ভিত্তিতে বুধবার (৯ এপ্রিল) বিকালে ওই মাদ্রাসায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসময় মাদ্রাসা থেকে ১৬টি সিসি ক্যামেরা অকেজো করে মূল মেশিনটি জব্দ করে নিয়ে যায় পুলিশ।
এ বিষয়ে সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার নিশাত আল নাহিয়ান জানান, নাভারণ উত্তর বুরুজবাগান এলাকায় অবস্থিত ওই কওমি মহিলা মাদ্রাসার পাঁচতলা ভবনের নিচতলায় দুই শিক্ষক থাকেন। ওপরের চারটি তলায় আবাসিকে থেকে মেয়েরা লেখাপড়া করে। মেয়েদের শোবার কক্ষে দু’টি করে নাইট ভিশন ক্যামেরা স্থাপন করা ছিল। ওই ক্যামেরার মনিটর শিক্ষকের কক্ষে ছিল। নারী পুলিশ সদস্য পাঠিয়ে এগুলো জব্দ করা হয়েছে। এক মাসের ফুটেজের রেকর্ড আছে। সেগুলো যাচাই–বাছাই করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও জানান, মেয়েদের শোবার ঘরে ক্যামেরা স্থাপন করে তাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা খর্ব করা হয়েছে। এটা কেউ করতে পারেন না।
পুলিশ জানায়, মাদ্রাসাটিতে ছাত্রীদের কক্ষে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যাপারে এক অভিভাবক যশোর পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গতকাল (বুধবার) বিকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী নাজিব হাসান ও সিনিয়র সহকারি পুলিশ সুপার নিশাত আল নাহিয়ানের নেতৃত্বে ওই মাদ্রাসায় অভিযান চালানো হয়।
এ সময় মাদ্রাসার শিক্ষক আবু তাহেরকে (৪৫) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ থানায় নিয়ে যায়। যখনই ডাকা হবে, তখনই হাজির হওয়ার শর্তে পরে আবু তাহেরকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
ওই মাদ্রাসার আবাসিকে কতজন মেয়ে থাকে, তার হিসাব মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ না দিলেও ৪০ জন মেয়ের নাম পেয়েছে পুলিশ।
এদিকে, মাদ্রাসার মালিক, পরিচালক ও শিক্ষক আবু তাহের দাবি করেন, নিরাপত্তার জন্য সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। তিনি যখন সিসি ক্যামেরা দেখেন, তখন তাঁর স্ত্রী সঙ্গে থাকেন। সিসি ক্যামেরা নিয়ন্ত্রণ করেন প্রতিষ্ঠানের নারী প্রধান শিক্ষক।
তিনি আরো বলেন, গত বছর মাদ্রাসায় ১৮০ মেয়ে ভর্তি হয়েছিল। এখন ভর্তি চলছে।
প্রকাশক ও সম্পাদক : শহীদুল ইসলাম, বার্তা সম্পাদক : ফরহাদ হোসেন
০১৭২৫-৭৩৬৩৫৩, ০১৬০২-৯০৩৬২১ / ০১৭৭০-৪৯৪৯৮১
ঢাকা কার্যালয়ঃ কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
আঞ্চলিক কার্যালয়ঃ ডাকবাংলোপাড়া, বদলগাছী, নওগাঁ।
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ গণ সংবাদ২৪