
গত ২২ এপ্রিল ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পেহেলগামে এক ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার পর নতুন করে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে বিষয়টি। ওই হামলায় ২৫ জন পর্যটক ও একজন স্থানীয় গাইড নিহত হন। একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামলার দায় স্বীকার করলেও পরে তারা অস্বীকার করে। ভারত এই হামলার জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করে। কিন্তু ইসলামাবাদ এই অভিযোগ অস্বীকার করে।
এরপর থেকে প্রতিবেশী দেশ দুটি একের পর এক পদক্ষেপ নিতে শুরু করে। প্রথমে এটি কূটনৈতিক পর্যায়ে থাকলেও দ্রুত সামরিক সংঘাতের দিকে মোড় নেয়।
পাকিস্তানের উপ-প্রধানমন্ত্রী ইসহাক দারও যুদ্ধবিরতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, পাকিস্তান সব সময় আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার পক্ষে থেকেছে, তবে সার্বভৌমত্ব ও আঞ্চলিক অখণ্ডতার প্রশ্নে কখনও আপস করেনি।
এ বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, ভারত এবং পাকিস্তান স্থল, আকাশ ও সমুদ্র পথে সব ধরনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। ভারতীয় সময় বিকেল ৫টা থেকে এ যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে।
গত ৬ মে ভারতের “অপারেশন সিন্দুর” এর জবাবে “অপারেশন বুনইয়ানুম মারসৌস” ঘোষণা করেছে পাকিস্তান। ফলে ক্রমেই সর্বাত্মক যুদ্ধের দিকে ধাবিত হচ্ছে পরমাণু শক্তিধর দেশ দুটি।
গত কয়েকদিন হামলা পাল্টা হামলার ধারাবাহিকতায় আজ শনিবার (১০ মে) ভোরে ভারতের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় পাকিস্তানের অন্তত তিনটি সামরিক বিমান ঘাঁটিতে পরপর কয়েকটি শক্তিশালী বিস্ফোরণ ঘটে। অপর দিকে পাকিস্তান দাবি করেছে, তাদের তিনটি বিমান ঘাঁটিতে ভারতীয় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার পর তারা ভারতের একাধিক সামরিক ঘাঁটিতে পাল্টা আঘাত হেনেছে। এ ঘটনা দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের চাপা উত্তেজনাকে আরও তীব্র করে তুলেছে। অবশেষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হলো দুই দেশ।
প্রকাশক ও সম্পাদক : শহীদুল ইসলাম, বার্তা সম্পাদক : ফরহাদ হোসেন
০১৭২৫-৭৩৬৩৫৩, ০১৬০২-৯০৩৬২১ / ০১৭৭০-৪৯৪৯৮১
ঢাকা কার্যালয়ঃ কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
আঞ্চলিক কার্যালয়ঃ ডাকবাংলোপাড়া, বদলগাছী, নওগাঁ।
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ গণ সংবাদ২৪