সাধন রায়, লালমনিরহাট প্রতিনিধি:
লালমনিরহাটের আদিতমারী উপজেলা পরিবার ও পরিকল্পনা অধিদপ্তরে তথ্য চেয়ে তথ্য ফর্মে আবেদন করেন বাংলাদেশ বুলেটিনের লালমনিরহাট প্রতিনিধি রকিবুল ইসলাম রুবেল।
কিন্তু তথ্য না দিয়ে উল্টো ২ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা ব্যাংকে জমা দিতে চিঠি দিয়েছে আদিতমারী পরিবার ও পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মেডিকেল অফিসার রাশেদ মেনন।
গত ৩০ অক্টোর আদিতমারী পরিবার ও পরিকল্পনা অধিদপ্তরে আবেদনটি জমা দেয়া হয়। যেখানে লেখা রয়েছে স্থায়ী পদ্ধতির সার্জন ফিসহ অন্যান্য খরচের ফটোকপি ও ইমপ্লান্ট ফলোআপের সকল খরচের হিসাব দিন।
এই আবেদনের প্রেক্ষিতে আদিতমারী মেডিকেল অফিসার ডা: রাশেদ মেনন গত ৩০ নভেম্বর আবেদনকারী রকিবুল ইসলাম রুবেল বরাবর ডাক যোগে একটি পত্র প্রেরণ করেন। যা হুবহু দেয়া হলো:
উপরোক্ত বিষয়ের আলোকে জানানো যাইতেছে যে, আপনি গত ৩০/১০/২০২৫ ইং তারিখে অত্র কার্যালয়ের স্থায়ী পদ্ধতির সার্জন ফি ও ইমপ্লান্ট ফলোআপ এর ভাউচার তথ্য প্রাপ্তির জন্য ০১ (এক) খানা আবেদন করেন। উক্ত ভাউচারে সেবা গ্রহীতাদের গোপনীয়তা রক্ষার্থে মহাপরিচালক, পরিবার পরিকল্পনা মহোদয়ের নির্দেশনা প্রয়োজন। এছাড়াও উক্ত ভাউচার সমূহ ফটোকপি ও অন্যান্য বাবদ আনুমানিক ২১৫০০০/= (দুই লক্ষ পনের হাজার) টাকা খরচ হবে যাহা মেডিকেল অফিসার (এমসিএইচ-এফপি), আদিতমারী, লালমনিরহাট এর নামে চলতি হিসাব নং ৩৩০০৪৪৩৬ জমা করত তথ্য প্রদান করা যেতে পারে।
এ বিষয়ে আবেদনকারী রকিবুল ইসলাম রুবেল বলেন, আমার সাথে চরম অন্যায় করা হয়েছে।আমি তথ্য চেয়েছি, কিন্তু তারা আমার কাছে যে পত্র প্রেরণ করেছে সেখানে কাগজের কোনও হিসাব নেই। কত কপি কাগজের জন্য তারা টাকা জমা দিতে বলেছে সে সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি।
বাংলাদেশ প্রেসক্লাব লালমনিরহাট জেলা সভাপতি এসআর রতন বলেন, এ পত্র স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিপন্থী। সাংবাদিক তথ্য চাইবে, তথ্য দিতে হবে।আইনের মারপ্যাঁচে কৌশলে চিঠি দেয়া অন্যায়।
এ বিষয়ে মেডিকেল অফিসার রাশেদ মেনন বলেন, আমার যা কথা আমি চিঠিতে বলে দিয়েছি।
প্রকাশক ও সম্পাদক : শহীদুল ইসলাম, বার্তা সম্পাদক : ফরহাদ হোসেন
০১৭২৫-৭৩৬৩৫৩, ০১৬০২-৯০৩৬২১ / ০১৭৭০-৪৯৪৯৮১
ঢাকা কার্যালয়ঃ কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ, বনানী, ঢাকা-১২১৩।
আঞ্চলিক কার্যালয়ঃ ডাকবাংলোপাড়া, বদলগাছী, নওগাঁ।
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ গণ সংবাদ২৪