1. admin@gonosongbad24.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চকরিয়ায় প্রশাসনের নির্দেশনার পরও বৃত্তি আয়োজনের অভিযোগ ধামইরহাটে অসহায় ৮০ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ জয়পুরহাটে বসতঘরের আলমারিতে ৯০০ টাপেন্টাডল, ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার রাণীনগরে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন নওগাঁয় জেলা পুলিশের অভিযানে উদ্ধার ৮০টি হারানো মোবাইল, মালিকদের কাছে হস্তান্তর নওগাঁয় ডিবি পুলিশের রাতভর অভিযান, ২৪ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৪ বদলগাছীতে যুবদলের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত ভুয়া চিকিৎসাপত্র আর ৯ গুলির ‘নাটক’: শেখ হাসিনাসহ ৮৪ আসামিকে অব্যাহতির সুপারিশ পুলিশের বগুড়ার কাহালুতে গলায় ফাঁস দিয়ে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু  বদলগাছী হাসপাতালে দুই নার্সের রোস্টার বিরোধ: সহকর্মীকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করার অভিযোগ, তিন দিনেও ব্যবস্থা নেই বদলগাছীর বিলাশ বাড়ী ইউনিয়নে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ সিজন-২-এর উদ্বোধন নওগাঁয় পুলিশের অভিযানে দুটি চোরাই চার্জার অটোরিকশা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ কুড়িগ্রামে এসএসবিসি প্রকল্পের আয়োজনে মাতৃ, নবজাতক, শিশু, কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য ও বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা বদলগাছীতে ভিডব্লিউবি’র ১৯০০ কেজি চাল জব্দ: বাজারে বিক্রির সময় গুদাম থেকে আটক শেরপুর সীমান্তে ১৪৭ বোতল ইস্কাফ সিরাপ জব্দ বদলগাছীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতারণা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২, মোটরসাইকেল উদ্ধার রাণীনগরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেলের কাজ ৮৫ শতাংশ সম্পন্ন, জুলাইয়ে চালু আমু-শাজাহানসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের হেভিওয়েট নেতাদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ভারতে প্রবেশ প্রায় বন্ধ, শেরপুর সীমান্তে আটকে পড়া হাতিগুলোর কী হবে? ষষ্ঠ শ্রেণির আইসিটি বই মুদ্রণজনিত ত্রুটি সংশোধনে ফেরতের নির্দেশ ‘উই রিভোল্ট’—পাঠ্যবইয়ে যেভাবে তুলে ধরা হচ্ছে জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক ডায়েরির কথা সরকারের সমালোচনা করায় নারীকে পুলিশে দিল বিএনপি নেতা-কর্মীরা বিভাগীয় কমিশনারের নির্দেশেও তথ্য দেয়নি সিলেট জেলা প্রশাসন দিনের ছবি (২৬ অক্টোবর, ২০২৬) কতটা ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় অর্ণব, কবে-কোথায় আঘাত হানবে শুভ নাকি অশুভ শক্তি ঢাকা-কক্সবাজার রুটে আজ থেকে চলবে ‘মহানগর এক্সপ্রেস’ শিল্পের সঙ্গে উচ্চশিক্ষার যোগসূত্র গড়ছে বিইউএফটি চিকিৎসাশিক্ষায় ৬৩ শতাংশই ছাত্রী, ডেন্টাল ও নার্সিংয়েও এগিয়ে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর বেতন বৃদ্ধিতে ধীরে চলো নীতি ধর্ম যার যার… ইউরোপজুড়ে তরুণদের বিক্ষোভ, কেন ফুঁসছে জেন–জি? মধ্যপ্রাচ্যে ভেতরে-ভেতরে ‘লিবারেল বিপ্লব’ নিষিদ্ধ হয়েছিল নাটকটি, স্তালিন দেখেছিলেন ১৪ বার মাদক কারবার: দম্পতির ব্যাংক হিসাবে ১৩ কোটি লেনদেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে চতুর্থ মেয়াদে জয়ী লুলা মাদারীপুরের চরমুগরিয়া: ইকোপার্কের নির্মাণকাজ বন্ধ, চুরি হচ্ছে মালামাল সৌদিতে নিরাপত্তাঝুঁকি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ, মার্কিন নাগরিকদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ সৌদি আরবে থাকা রোহিঙ্গাদের জন্য বিশেষ পাসপোর্ট জাপানের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভুটানের বিপক্ষে থাকছেন হামজা-ফারহান দীর্ঘদিনের ক্ষমতার অবসান, সার্বিয়ার নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের জয় সিলেটে ২০ শ্রমিকের পরিবার পেল ১০ লাখ টাকা অনুদান এমবাপ্পের জোড়া গোলে তছনছ বার্সার ঘর মির্জাপুরে মহাসড়কের পাশে পড়ে আছে মেয়াদোত্তীর্ণ সরকারি ওষুধ মিথিলার কণ্ঠে নতুন গান ‘ভালোবাসি আমি তোমায় বোঝাবো’ চিকিৎসাসেবা বঞ্চিত পাঁচ লাখ মানুষ ডেন্টাল হাইজিনিস্ট থেকে শিল্পী, ফ্লোরিডায় উদ্যোক্তা হিসেবে এগিয়ে চলেছেন সন্দ্বীপের জাহান রিমা চট্টগ্রাম থেকে পরীমনির জন্য ফুল পাঠালেন কে? জয়ের প্রশ্নে নায়িকার জবাব

সাতক্ষীরায় কুমড়া বড়ির উৎসবে মেতেছে নারীরা

  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৭৮ বার পঠিত

 

সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ

কুমড়ার বড়ি দিলে তরকারীর স্বাদই পাল্টে যায়। পাকা কুমড়া সাধারণত শীতের শুরুতেই পাওয়া যায়। এ কুমড়ার সাথে কলাইয়ের ডাল পিসে কাপড় অথবা বিশেষ নেটে ছোট ছোট বড়ি করে রোদে শুকালেই খাওয়ার উপযোগী হয়ে ওঠে। এটাই তরকারীর মধ্যে দিলে তা হয়ে ওঠে অত্যন্ত সুস্বাদু। শীত মৌসুমের দেওয়া বড়ি সংরক্ষণ করে সারাবছর খাওয়া হয়। ফলে শীতের শুরু থেকেই সাতক্ষীরা জেলার গ্রামের বাড়ি বাড়ি গৃহিণীরা এ কুমড়া বড়ি দেওয়া নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। বাড়ি বাড়ি এ যেন গৃহিণীদের চিরাচরিত উৎসব হয়ে উঠেছে। একাধিক গৃহিণী জানান, সারাদেশে কি হয় তারা জানেন না তবে শীত আসলেই এ অঞ্চলের গ্রাম থেকে শুরু করে শহরের পরিবারগুলোতে এ কুমড়া বড়ি দেয়া হয়। এ বড়ি ঘরে রেখে সারা বছর তরকারিতে দিয়ে তরকারি সুস্বাদু করে খাওয়া হয়। এর আগে বর্ষা মৌসুমে গ্রামাঞ্চালের প্রায় বাড়িতে লাগানো হয় কুমড়া গাছ। এ গাছগুলো লতিয়ে গেলে উঠিয়ে দেয়া হয় বসবাসের ঘর, গোয়ালঘর, রান্নাঘরের ছাদ অথবা চালে, কোন কোন ক্ষেত্রে মাচা করে এ গাছের লতাগুলো উঠিয়ে দেয়া হয়। কোন প্রকার সার ছাড়াই এখানে আপন গতিতে লতিয়ে বেড়ে উঠে এক সময় কুমড়ার ফুল ও ফল আসতে শুরু করে। প্রথম পর্যায়ে কাঁচা বা জালি কুমড়া তরকারী অথবা ভাজি করে খাওয়া হয়। বাকিগুলো রেখে দেয়া হয় বড়ি দেওয়ার জন্য। কুমড়াগুলো ধীরে ধীরে বড় হয়ে ছাদে অথবা টাল বা মাচংয়ে ঝুলতে থাকে। এক পর্যায়ে কুমড়া পেকে এর গায়ে সাদা গুড়া পড়ে যায়। সাথে সাথে গাছের তরতাজা ভাব কেটে গিয়ে এক পর্যায়ে মাছও মরে যায়। তখন গৃহিণীরা কুমড়াগুলো ঘরে রেখে সংরক্ষণ করে শীতের জন্য অপেক্ষা করেন। এরপর শীতের শুরুতে নতুন কলাইয়ের ডাল ক্ষেত থেকে উঠলে অথবা বাজারে আসলে এ কলাইয়ের ডাল এনে পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হয়। পরে এ ডাল পানিতে ভিজে রসালো হয়ে উঠলে পরে উপরের কালো ছাল তুলে ফেলা হয়। এরপর কুমড়া কেটে ছোট ছোট টুকরা বড়ির সাথে মিশিয়ে মেশিনে অথবা ঢেঁকিতে একসাথে পিসে মন্ডাকার করা হয়। এরপর বাড়িতে এনে পাত্রে ফেলে হাত দিয়ে উত্তমরুপে মাখানো হয়। এক পর্যায়ে আঠালো হয়ে উঠলে নতুন কোন নেট, টিন, চালুনী, পরিষ্কার কাপড়ে ছোট ছোট বড়ি আকারে দিয়ে রোদে শুকাতে হয়। এরপর এটা হয় তরকারীতে দেয়ার উপযোগী, শ্যামনগর উপজেলার নকিপুর গ্রামের মারুফা খাতুন জানান শীত মৌসুমে কুমড়ার বড়ি দেয়াটা সকল পরিবারের মহিলারা একটা উৎসব বলে মনে করে। কেননা প্রতিটি পরিবারেই এটার জন্য আয়োজন থাকে। তিনি জানান, আবহমান কাল থেকেই এটার চালু রয়েছে। তবে পূর্বের চেয়ে এখন এটা দেওয়ার জন্য কষ্ট কমে গেছে। কেননা পূর্বে এ ডাল পিসা হতো ঢেঁকিতে। কিন্ত বর্তমানে যন্ত্র নির্ভর সময়ে এটা করা হচ্ছে। ফলে শীতের রাতে রাত জেগে ঢেঁকিতে আর পাড় দিতে হবে না। তাছাড়াও গ্রামে এখন সচারাচর ঢেঁকিও পাওয়া যায় না। উপজেলার তালতলা গ্রামের গৃহিণী মাহমুদা বেগম জানান, এ বছর তিনি প্রতিকেজি ১৭০-১৮০ টাকা দরে কলাইয়ের ডাল ও ৩০ টাকা প্রতিকেজি দরে ৩ টি কুমড়া কিনে বড়ি দিয়েছেন। অর্ধেকটা পরিবারের জন্য রেখে বাকিটা ঢাকা শহরে বসবাসরত এক আত্বীয়ের বাসায় পাঠাবেন। তিনি জানান, বড়ি ভালোমত শুকিয়ে সংরক্ষণ করলে সারাবছর খাওয়া যায়। মাছ না থাকলেও তরকারী বড়ি দিয়ে রান্না করলে অত্যন্ত লোভনীয় স্বাদ হয়। মাহমুদা বেগম জানান, কুমড়া বড়ি গৃহিণীদের জন্য শীতকালীন একটা যেন একটা রুটিন মাফিক কাজ। এ বড়ি নিয়ে গ্রাম্য সমাজে রয়েছে নানা কুসংস্কার। কেউ বড়ি দিলে ওইদিন যদি কুয়াশায় সূর্যের দেখা না মেলে তাহলে অনেকে বলে থাকেন বড়ি দেয়া গৃহিনীর কারনে সূর্য়ের দেখা মিলছেনা। যদিও এ কথার সাথে বাস্তবতার কোন মিল নেই। সাতক্ষীরা বড়ো বাজারের মুদি দোকানদার এলাই জানান, তিনি দোকানে সব জিনিসের সাথে সব ধরনের ডালও বিক্রি করেন। তবে শীত শুরু হলে বড়ি দেয়া কলাইয়ের ডাল খুব বিক্রি হয়। অন্য বছরের তুলনায় এ বছর কলাইয়ের ডালের ব্যাপক চাহিদা। প্রতিকেজি ডাল এখন ১৭০-১৮০ টাকায় বিক্রি করছেন।

Facebook Comments Box

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
Theme Customized By Shakil IT Park