1. admin@gonosongbad24.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চকরিয়ায় প্রশাসনের নির্দেশনার পরও বৃত্তি আয়োজনের অভিযোগ ধামইরহাটে অসহায় ৮০ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ জয়পুরহাটে বসতঘরের আলমারিতে ৯০০ টাপেন্টাডল, ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার রাণীনগরে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন নওগাঁয় জেলা পুলিশের অভিযানে উদ্ধার ৮০টি হারানো মোবাইল, মালিকদের কাছে হস্তান্তর নওগাঁয় ডিবি পুলিশের রাতভর অভিযান, ২৪ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৪ বদলগাছীতে যুবদলের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত ভুয়া চিকিৎসাপত্র আর ৯ গুলির ‘নাটক’: শেখ হাসিনাসহ ৮৪ আসামিকে অব্যাহতির সুপারিশ পুলিশের বগুড়ার কাহালুতে গলায় ফাঁস দিয়ে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু  বদলগাছী হাসপাতালে দুই নার্সের রোস্টার বিরোধ: সহকর্মীকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করার অভিযোগ, তিন দিনেও ব্যবস্থা নেই বদলগাছীর বিলাশ বাড়ী ইউনিয়নে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ সিজন-২-এর উদ্বোধন নওগাঁয় পুলিশের অভিযানে দুটি চোরাই চার্জার অটোরিকশা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ কুড়িগ্রামে এসএসবিসি প্রকল্পের আয়োজনে মাতৃ, নবজাতক, শিশু, কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য ও বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা বদলগাছীতে ভিডব্লিউবি’র ১৯০০ কেজি চাল জব্দ: বাজারে বিক্রির সময় গুদাম থেকে আটক শেরপুর সীমান্তে ১৪৭ বোতল ইস্কাফ সিরাপ জব্দ বদলগাছীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতারণা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২, মোটরসাইকেল উদ্ধার রাণীনগরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেলের কাজ ৮৫ শতাংশ সম্পন্ন, জুলাইয়ে চালু আমু-শাজাহানসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের হেভিওয়েট নেতাদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ভারতে প্রবেশ প্রায় বন্ধ, শেরপুর সীমান্তে আটকে পড়া হাতিগুলোর কী হবে? ষষ্ঠ শ্রেণির আইসিটি বই মুদ্রণজনিত ত্রুটি সংশোধনে ফেরতের নির্দেশ ‘উই রিভোল্ট’—পাঠ্যবইয়ে যেভাবে তুলে ধরা হচ্ছে জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক ডায়েরির কথা সরকারের সমালোচনা করায় নারীকে পুলিশে দিল বিএনপি নেতা-কর্মীরা বিভাগীয় কমিশনারের নির্দেশেও তথ্য দেয়নি সিলেট জেলা প্রশাসন দিনের ছবি (২৬ অক্টোবর, ২০২৬) কতটা ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় অর্ণব, কবে-কোথায় আঘাত হানবে শুভ নাকি অশুভ শক্তি ঢাকা-কক্সবাজার রুটে আজ থেকে চলবে ‘মহানগর এক্সপ্রেস’ শিল্পের সঙ্গে উচ্চশিক্ষার যোগসূত্র গড়ছে বিইউএফটি চিকিৎসাশিক্ষায় ৬৩ শতাংশই ছাত্রী, ডেন্টাল ও নার্সিংয়েও এগিয়ে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর বেতন বৃদ্ধিতে ধীরে চলো নীতি ধর্ম যার যার… ইউরোপজুড়ে তরুণদের বিক্ষোভ, কেন ফুঁসছে জেন–জি? মধ্যপ্রাচ্যে ভেতরে-ভেতরে ‘লিবারেল বিপ্লব’ নিষিদ্ধ হয়েছিল নাটকটি, স্তালিন দেখেছিলেন ১৪ বার মাদক কারবার: দম্পতির ব্যাংক হিসাবে ১৩ কোটি লেনদেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে চতুর্থ মেয়াদে জয়ী লুলা মাদারীপুরের চরমুগরিয়া: ইকোপার্কের নির্মাণকাজ বন্ধ, চুরি হচ্ছে মালামাল সৌদিতে নিরাপত্তাঝুঁকি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ, মার্কিন নাগরিকদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ সৌদি আরবে থাকা রোহিঙ্গাদের জন্য বিশেষ পাসপোর্ট জাপানের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভুটানের বিপক্ষে থাকছেন হামজা-ফারহান দীর্ঘদিনের ক্ষমতার অবসান, সার্বিয়ার নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের জয় সিলেটে ২০ শ্রমিকের পরিবার পেল ১০ লাখ টাকা অনুদান এমবাপ্পের জোড়া গোলে তছনছ বার্সার ঘর মির্জাপুরে মহাসড়কের পাশে পড়ে আছে মেয়াদোত্তীর্ণ সরকারি ওষুধ মিথিলার কণ্ঠে নতুন গান ‘ভালোবাসি আমি তোমায় বোঝাবো’ চিকিৎসাসেবা বঞ্চিত পাঁচ লাখ মানুষ ডেন্টাল হাইজিনিস্ট থেকে শিল্পী, ফ্লোরিডায় উদ্যোক্তা হিসেবে এগিয়ে চলেছেন সন্দ্বীপের জাহান রিমা চট্টগ্রাম থেকে পরীমনির জন্য ফুল পাঠালেন কে? জয়ের প্রশ্নে নায়িকার জবাব

১২ বছরে গ্রামীণ ঋণে কৃষির অংশ কমেছে ৯ শতাংশ

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৩ বার পঠিত

অর্থনীতি ডেস্ক: বাংলাদেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে গত এক দশকে ঋণগ্রহীতার সংখ্যা বাড়লেও কৃষিখাতের হিস্যা নাটকীয়ভাবে কমে গেছে। গবেষণা সংস্থা বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বা বিআইডিএস এবং আন্তর্জাতিক খাদ্যনীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান বা আইএফপিআরআই-এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক নীতি সংলাপে এই তথ্য উঠে আসে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গ্রামীণ মানুষের আর্থিক প্রবণতায় বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে, যার ফলে ঐতিহ্যবাহী কৃষিঋণের পরিমাণ হ্রাস পেয়েছে। মূলত নতুন ব্যবসা শুরু, ঘরবাড়ি নির্মাণ এবং নানাবিধ ভোগ্যপণ্য ক্রয়ের প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণেই গ্রামীণ ঋণের গতিপ্রকৃতি বদলে গেছে।

অনুষ্ঠিত ওই সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে বিআইডিএসের গবেষকরা জানান, ২০১০ সালে গ্রামীণ অঞ্চলের ৩৬ শতাংশ পরিবার ঋণ গ্রহণ করত, যা পরবর্তীতে বেড়ে ২০২২ সালে প্রায় ৪২ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। তবে এক দশক আগে এসব ঋণের প্রায় ২৫ শতাংশ বরাদ্দ ছিল কৃষির জন্য, যা বর্তমান সময়ে কমে মাত্র ১৬ শতাংশে ঠেকেছে। অর্থাৎ গত বারো বছরের ব্যবধানে গ্রামীণ ঋণে কৃষির হিস্যা প্রায় নয় শতাংশের মতো হ্রাস পেয়েছে। এর পাশাপাশি গ্রামীণ পরিবারগুলোর ব্যাংকিং খাতের ওপর নির্ভরতাও কমেছে, এবং ব্যাংক ঋণ নেওয়ার হার ৪.৭ শতাংশ থেকে নেমে মাত্র ২.৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এর বিপরীতে গ্রামের মানুষ তাদের প্রয়োজনের সিংহভাগ ঋণই বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা বা এনজিও থেকে গ্রহণ করে থাকে।

এদিকে ঋণের ব্যবহার ও পরিশোধের চাপ বৃদ্ধির বিষয়ে সংলাপে উদ্বেগ প্রকাশ করেন বিশেষজ্ঞরা। গবেষণা প্রতিবেদনে দেখা যায়, ঋণগ্রহীতাদের সিংহভাগ অর্থই মূলত সার ক্রয়ের মতো কৃষি উপকরণের পেছনে ব্যয় হচ্ছে, যা ২০১০ সালের ৪৪ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০২২ সালে ৫৬ শতাংশে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে সাধারণ মানুষের ওপর ঋণ পরিশোধের আর্থিক চাপও বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে প্রায় ৪১ শতাংশ ঋণগ্রহীতা পরিবার তাদের মাসিক আয়ের বড় একটি অংশ ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতেই ব্যয় করছে, যা অতীতের তুলনায় অনেক বেশি।

কৃষি যান্ত্রিকীকরণের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে পর্যাপ্ত ব্যাংকঋণের অভাব রয়েছে বলে আইএফপিআরআইয়ের উপস্থাপনায় তুলে ধরা হয়। কৃষিযন্ত্র ক্রয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হলেও ব্যাংকগুলো থেকে মাত্র দুই থেকে সাত শতাংশ পর্যন্ত অর্থায়ন পাওয়া যায়। বাধ্য হয়ে কৃষকদের আত্মীয়স্বজন, এনজিও কিংবা মহাজনদের কাছ থেকে চড়া সুদে ঋণ নিতে হয়। সংলাপে উপস্থিত অতিথিরা জানান, এনজিওর উচ্চ সুদের কারণে কৃষকদের ওপর চাপ বাড়ছে এবং উপকরণের দাম বাড়ায় মুনাফা কমে যাচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে কৃষক কার্ডসহ নানা সুবিধার কথা জানানো হলেও, কৃষি খাতের সার্বিক উৎপাদনশীলতা ও ব্যাংক অর্থায়ন বাড়ানো না গেলে ভবিষ্যতে চ্যালেঞ্জ আরও বাড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

Facebook Comments Box

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
Theme Customized By Shakil IT Park