
নিজস্ব প্রতিবেদক,
পরিবহন খাত থেকে সমঝোতার ভিত্তিতে অর্থ সংগ্রহকে চাঁদা বলা যাবে না; তবে কাউকে জোর করে টাকা দিতে বাধ্য করা হলে সেটিই চাঁদাবাজি হিসেবে গণ্য হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও যোগাযোগ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
বৃহস্পতিবার বিকেলে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সমিতিগুলো নির্দিষ্ট হারে যে অর্থ সংগ্রহ করে, তা সংশ্লিষ্টদের কল্যাণমূলক কাজে ব্যয় করার উদ্দেশ্যেই নেওয়া হয়। এটি অনেকটা অলিখিত নিয়মের মতো দীর্ঘদিন ধরে চলে আসছে। এই অর্থের ব্যবহার নিয়ে বিতর্ক থাকতে পারে, তবে তা পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতেই হয়ে থাকে বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন ও ফেডারেশনও একইভাবে সমঝোতার ভিত্তিতে অর্থ সংগ্রহ করে। ক্ষমতাসীন দলের শ্রমিক সংগঠনের প্রভাব বেশি থাকা ‘বাস্তবতা’ উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ স্থাপনাগুলোতে জোরপূর্বক অর্থ আদায়ের সুযোগ নেই।
মালিকদের মধ্যে কেউ বঞ্চিত হচ্ছেন কি না বা সংগৃহীত অর্থের অপব্যবহার হচ্ছে কি না এসব বিষয় সরকার খতিয়ে দেখবে বলেও জানান তিনি।
সড়কে যানজট প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে বাজার বসে যাওয়ার কারণে যানজট বাড়ছে। এসব কার্যক্রম শৃঙ্খলার মধ্যে আনতে উদ্যোগ নেওয়া হবে।
আসন্ন ঈদযাত্রা নিয়ে তিনি বলেন, ঘরমুখো মানুষের ভোগান্তি কমাতে ছুটির ব্যবস্থাপনা গুরুত্বপূর্ণ। গতবারের মতো দীর্ঘ ছুটির ধারা অনুসরণ করার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি যাত্রা আরও স্বস্তিদায়ক করতে নতুন কী ব্যবস্থা নেওয়া যায়, তা নিয়েও কাজ চলছে। আগামী পাঁচ থেকে দশ দিনের মধ্যে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে বলে আশা প্রকাশ করেন
Leave a Reply