
কুষ্টিয়া প্রতিনিধি:
কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে পীর আব্দুর রহমান শামীম ওরফে জাহাঙ্গীর (৬৫) হত্যা মামলায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক এক জেলা সভাপতিসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা হয়েছে। এ মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১৮০ থেকে ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, নাম উল্লেখ করা আসামিরা হলেন—শিবিরের সাবেক জেলা সভাপতি ও জামায়াত কর্মী আহম্মেদ, স্থানীয় জামায়াত কর্মী রাজিব মিস্ত্রি, খেলাফত মজলিসের উপজেলা সভাপতি আসাদুজ্জামান আসাদ (৪৫) এবং আবেদের ঘাট এলাকার একটি মাদ্রাসার শিক্ষক সাফি।
কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভেড়ামারা সার্কেল) দেলোয়ার হোসেন বলেন, এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
মামলায় রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীদের নাম আসার বিষয়ে দৌলতপুর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির বেলাল উদ্দিন বলেন, ‘মামলায় অনেকের নাম আসতে পারে। তবে আমাদের দলের কেউ এ ঘটনায় জড়িত নয়। অভিযোগ আইনগতভাবে মোকাবিলা করা হবে।’
নিহতের ভাই অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ফজলুর রহমান সোমবার (১৩ এপ্রিল) গভীর রাতে দৌলতপুর থানায় মামলাটি করেন।
অভিযোগের বিষয়ে প্রধান আসামি খাজা আহম্মেদ বলেন, ‘নিহত ব্যক্তি আমার আত্মীয়। তাঁর পরিবারের অনুরোধেই আমি লাশ আনতে গিয়েছিলাম। ঘটনার দিন পুলিশের সঙ্গেও আমার কথা হয়েছে। এরপরও আমাকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।’
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুরে দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগরে পীর শামীমের আস্তানায় কয়েকশ মানুষ হামলা চালায়। এতে তিনি নিহত হন এবং তাঁর তিন অনুসারী আহত হন। হামলার সময় আস্তানায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। লুটপাটের অভিযোগও উঠেছে।
Leave a Reply