
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
নওগাঁর ধামইরাট উপজেলায় এক মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে শিশু শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
গ্রেপ্তারকৃত আসামি মোঃ মমিনুল হক (২৬) উপজেলার পত্নীতলা থানার বরইল গ্রামের বাসিন্দা। তিনি মোঃ ফারুক হোসেন ও মোসাঃ মনোয়ারা বেগমের ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ মে ২০২৬ রাত আনুমানিক ৮টা ১৫ মিনিটে ধামইরহাট থানার বাদাল চাঁনপুর এলাকার “দারুল উলুম আশরাফিয়া থানভিয়া কওমী হাফেজিয়া মাদ্রাসা এতিমখানা ও লিল্লাহ বোর্ডিং”-এ এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, এশার নামাজ আদায়ের জন্য অন্যান্য শিক্ষার্থীদের মসজিদে পাঠিয়ে দিয়ে শিক্ষক মমিনুল হক প্রয়োজনীয় কথা আছে বলে ১০ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থীকে মাদ্রাসার উত্তর দিকের শয়নকক্ষে রেখে দেন।
এরপর অন্য শিক্ষার্থীরা মসজিদে চলে গেলে অভিযুক্ত শিক্ষক ভয়ভীতি দেখিয়ে ওই শিশুকে বলাৎকার করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় জনতার সহায়তায় ধামইরহাট থানা পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে। একই সঙ্গে ভিকটিম শিশুকে উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।
এ ঘটনায় মাদ্রাসার সভাপতি বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ধামইরহাট থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো ঘটনার বিরুদ্ধে নওগাঁ জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ কঠোর অবস্থানে রয়েছে এবং এ ধরনের অপরাধ দমনে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
Leave a Reply