
আব্দুর রউফ রিপন, নওগাঁ প্রতিনিধিঃ
চলতি বছর এসএসসি পরীক্ষায় নওগাঁর ৭টি উপজেলার মোট ১৯ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে পাশ করতে পারেনি কোন শিক্ষার্থী। জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এই তথ্য জানা গেছে। শতভাগ ফেইলের মধ্যে রয়েছে মাধ্যমিক, মাদরাসা ও কারিগরি এমপিওভুক্ত ও নন-এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান।
শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার বদলগাছী উপজেলার ৩টি প্রতিষ্ঠান থেকে কেউ পাশ করেনি। শতভাগ ফেইল করা সেই প্রতিষ্ঠানগুলো হলো গোবরচাপা হাট আকতার হামিদ সিদ্দিকী দাখিল মাদরাসা। এই মাদরাসা থেকে ০১ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিলেও সে পাশ করেনি। এ উপজেলার শতভাগ ফেইলের তালিকায় রয়েছে জোলাপাড়া ইসলামীয়া দাখিল মাদরাসা। এ প্রতিষ্ঠান থেকে ৩ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন কিন্তু একজনও পরীক্ষার্থী পাস করেনি। এছাড়াও উপজেলার খাদাইল দাখিল মাদরাসা থেকে কোন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেননি।
জেলার পত্নীতলা উপজেলার চকনোদবাটি ইসলামীয়া দাখিল মাদরাসা থেকে ১৯জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিলেও কেউ পাশ করেনি। সাপাহার উপজেলার ভাবুক নইমুদ্দিন দাখিল মাদরাসা থেকে ১৩জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিলেও কেউ পাশ করেনি। জেলার মান্দা উপজেলার চকদেবীরাম-চকভোলাই আলিম মাদ্রাসা থেকে এবারের দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৫জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে কেউ পাশ করেনি। এছাড়াও এই উপজেলার কুসুম্বা শাহী দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৯ জন, রামনগর দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৩ জন, চকরঘুনাথ দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৩ জন এবং এলেঙ্গা ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ৬ জন পরীক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিলেও কেউই পাশ করেনি।
জেলার পোরশা উপজেলার বড়গুন্দইল দাখিল মাদরাসা থেকে ১৬জন, গাঙ্গুরিয়া ইসলামীয়া দাখিল মাদরাসা থেকে ১৩জন, অনন্তপুর দাখিল মাদরাসা থেকে ০৯জন ও কালিনগর সরাইগাছী মহিলা দাখিল মাদরাসা থেকে ০৬জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিলেও একজন পরীক্ষার্থীও পরীক্ষায় পাস করেননি।
নিয়ামতপুর উপজেলার বরিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৫জন, পৈলানপুর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ০৯জন, নিমদিঘী কারিগরি স্কুল ও কলেজ থেকে ০৭জন এবং বরিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ১৫জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে তাদের কেউই পাস করতে পারেনি এবং আত্রাই উপজেলা সুদরানা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৪জন এবং আটগ্রাম ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসা থেকে ০১জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। কিন্তু তাদের কেউই পাশ করেননি।
শতভাগ ফেইলের বিষয়ে জানতে চাইলে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ বিভিন্ন কারণ দেখান। তারা কেউ কেউ বলেন, শিক্ষক সংকট, অবকাঠামোরগত সমস্যা এবং অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত প্রতিষ্ঠানে না আসা ইত্যাদি ইত্যাদি।
মান্দা উপজেলার চকদেবীররাম চকভোলাই আলিম মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. জালাল উদ্দিন বলেন, আমাদের মাদ্রাসা থেকে এবার ১৫শিক্ষার্থী দাখিল পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ করে পরীক্ষার কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরার সম্মুখে পড়ে শিক্ষার্থীরা ভীত ও বিহ্বল হয়ে পড়ে। ফলে পরীক্ষা ভালো করতে পারেনি এবং করোনাকালীন দুর্বলতাও এর পেছনে প্রভাব ফেলেছে।
জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মো. শাহাদাৎ হোসেন বলেন, শতভাগ ফেল করা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধানদের সাথে দ্রুত বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার মান উন্নয়নে সকল প্রচেষ্টা আগামীতে অব্যাহত থাকবে।
Playing slots here is such a smooth ride. The games load instantly and the bonus rounds actually hit when you expect them to. I appreciate how transparent they are about the rules. Give it a try at pkvaycasino