
বিশেষ প্রতিনিধিঃ
গত শুক্রবার রাতে উপজেলার ছাপরহাটি ইউনিয়নের পশ্চিম ছাপরহাটি হাজীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
সেনাবাহিনীর সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার মো. ওয়াজেদ হোসেন সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ওসি সাহেব ফোন করেছিলেন। তাঁদের হেল্প করাটাও আমাদের দায়িত্ব। তবে এলাকাবাসী এটা খুব খারাপ কাজ করেছে। কাজটি তারা ঠিক করেনি। আমাদের কথাও তারা শুনতে চায়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুন্দরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আবদুল হাকিম আজাদ বলেন, বিয়েবাড়িতে তিনজনকে আটকে রাখা হয়েছিল। মামলার কথা বলে তাঁদের উদ্ধার করতে গিয়েছিলাম। এ সময় আমাদের দিকে ঢিল ছোঁড়া হয়। তখন পাশের এক বাসায় ঢুকে পড়েছিলাম। পরে ওরা আমাকে ঘিরে ধরেছিল।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার ওই গ্রামের প্রবাসী মো. দুখু মিয়ার মেয়ের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী রামজীবন ইউনিয়নের মো. আয়নাল হকের ছেলে মো. সবুজ সরকারের (২৮) বিয়ে হয়। গেটের টাকা নিয়ে দ্বন্দ্বের পর রাত ১টার দিকে তিন শতাধিক বরযাত্রীকে খাবার দেওয়া হয়। বিকেলে রান্না করা ভাত ভ্যাপসা গরমে গভীর রাতে নরম হয়ে যায়। এ সময় বরপক্ষের লোকজন ভাতের প্লেট ও চেয়ার ভাঙচুর করেন। বিয়ের অনুষ্ঠান তদারকির দায়িত্বে থাকা কনের জ্যাঠা বরপক্ষকে শান্ত করতে গেলে তাঁকে মারধর করা হয়। পরে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে বরপক্ষের বেশির ভাগ লোক পালিয়ে গেলেও বরসহ কয়েকজনকে আটক করা হয়।
Leave a Reply