
তুরস্কের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম টিআরটি ওয়ার্ল্ড জানিয়েছে, ফ্লাইট রাডার টুয়েন্টি ফোর (FlightRadar24)-এর তথ্য ব্যবহার করে এক্স প্ল্যাটফর্মের ব্যবহারকারীরা দাবি করেছেন, ‘উইংস অব জিয়ন’ নামের ওই উড়োজাহাজটি আজ শুক্রবার বিকেলে এথেন্স বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
তবে উড়োজাহাজটিতে নেতানিয়াহু কিংবা তাঁর পরিবারের কেউ ছিলেন কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষও এখন পর্যন্ত নেতানিয়াহুর অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য জানায়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, এটি হতে পারে ইসরায়েলি নিরাপত্তা ব্যবস্থার অংশ, যেখানে দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বকে হামলার ঝুঁকি এড়াতে গোপন স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।
এদিকে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা দাবি করেছে, ইসরায়েলি হামলার পর নেতানিয়াহুকে একটি অজ্ঞাত স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং ধারণা করা হচ্ছে, সেই গন্তব্য হচ্ছে গ্রিস।
এর আগে ইসরায়েলি গণমাধ্যম নেতানিয়াহুর উড়োজাহাজের একটি ছবি প্রকাশ করে, যেখানে দেখা যায়, দুটি জঙ্গি বিমানের পাহারায় বিমানটি অধিকৃত এলাকার বাইরে অজ্ঞাত গন্তব্যের দিকে যাচ্ছে।
ইসরায়েলি চ্যানেল ১২ এবং বিবিসি জানিয়েছে, আজ ভোরে ‘অপারেশন রাইজিং লায়ন’ নামে ইসরায়েল তেহরানে একটি হামলা চালায়। ইসরায়েলের সেনাবাহিনী জানায়, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে ব্যর্থ করতেই এই হামলা চালানো হয়েছে।
এর জবাবে ইরান ইসরায়েলের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে প্রায় ১০০টি ড্রোন নিক্ষেপ করে। উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে ইসরায়েলে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, “হামলা যতক্ষণ প্রয়োজন, ততক্ষণই চলবে।”
এদিকে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি ইসরায়েলকে ‘তিক্ত ও যন্ত্রণাদায়ক’ পরিণতির জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “ইরান যদি প্রতিশোধ নেয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে রক্ষা করতে পাশে থাকবে।” একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, ইরানে হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের কোনো ভূমিকা নেই।
Leave a Reply