
সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ
সাতক্ষীরা থেকে ভোমরা বন্দরে যাওয়ার পথে আলীপুর ঢালীপাড়া মোড়ে ২৩ লাখ ৩৮ হাজার ৫০০ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় জনতার হাতে আটককৃত মেহেদী হাসান মুন্না গত শুক্রবার আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। ঘটনার এক সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও পুলিশ আসামী স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা রফিকুজ্জামানসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। এমনকি উদ্ধার হয়নি ছিনতাই হওয়া টাকা।
এদিকে, প্রকাশ্য দিবালোকে হামলা চালিয়ে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় এজাহারভুক্ত তিনজনসহ ১৬৪ ধারার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে উল্লেখিত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সদর উপজেলার থানাঘাটার রফিকুজ্জামানকে গ্রেপ্তার ও টাকা উদ্ধার না করতে পারায় ভোমরা বন্দরের ব্যবসায়িদের মধ্যে হতাশা বিরাজ করছে।
১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদানকারি মেহেদী হাসান মুন্না (২৪) সাতক্ষীরা সদরের কুচপুকুর এলাকার আতিয়ার রহমানের ছেলে।
ভোমরা বন্দরের “মা’ এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী জিএম আমির হামজা তার দায়েরকৃত মামলার বরাত দিয়ে জানান, গত ১৯ ডিসেম্বর বৃহষ্পতিবার বিকেল ৫টা দিকে তার কর্মচারি শওকত হোসেন ও আব্দুল্লাকে আলীপুর ঢালীপাড়ার মোড়ে মটর সাইকেল থামিয়ে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে দুটি ব্যাংক খেকে তোলা ও তিনজন ব্যবসায়ির কাছ থেকে আদায়কৃত মোট ২৩ লাখ ৩৮ হাজার ৫০০ টাকা ভর্তি ব্যাগটি দুটি মটর সাইকেলে থাকা পাঁচজন ছিনতাইকারি ছিনতাই করে। পালিয়ে যাওয়ার সময় শহরতলীর কুচপুকুরের মেহেদী হাসান মুন্নাকে জনতা আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। এ সময় মুন্না নিজেকে ছিনতাইয়ের সাথে সম্পৃক্ত করে দুটি মটর সাইকেলে টাকার ব্যাগ নিয়ে পালিয়ে যাওয়া থানাঘাটার স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা রফিকুজ্জামান, একই এলাকার আরাফাত হোসেন, আবাদেরহাটের নয়ন হোসেন ও নলকুড়ার আবু সাঈদ এর পূর্ণ পরিচয় তুলে ধরে।
Leave a Reply