
বিশেষ প্রতিনিধি
নওগাঁ সদর উপজেলার “ন্যাশনাল মডেল স্কুল” নামক বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ফরহাদ হোসেনের বিরুদ্ধে প্রতারণা ও অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে ধারাবাহিক সংবাদ প্রকাশের পর নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এবার অভিযুক্ত শিক্ষক নিজেই ভুক্তভোগী নারীর বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তবে ওই অভিযোগকে “সম্পূর্ণ বানোয়াট” দাবি করে উল্টো হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগী নারী।
ভুক্তভোগী ও তার পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ মার্চ নওগাঁ সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন অভিযুক্ত শিক্ষক ফরহাদ হোসেন। অভিযোগে তিনি দাবি করেন, ভুক্তভোগী নারী তাকে মারধরের জন্য ভাড়াটে লোক পাঠিয়েছেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে অশ্লীল ছবি প্রকাশ ও সাংবাদিকদের মাধ্যমে হুমকি দিয়েছেন। এছাড়া তিনি ওই নারীকে ৭ দিন আগে তালাক দিয়েছেন বলেও দাবি করেন।
তবে ভুক্তভোগী নারী এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, “আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ দেওয়া হয়েছে, তার কোনো ভিত্তি নেই। এগুলো শুধু আমাকে ভয় দেখানো ও মামলাগুলো আপোষে নিতে চাপ সৃষ্টি করার কৌশল।”
অভিযোগ রয়েছে, লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কর্মকর্তা এএসআই আব্দুল কাদের ভুক্তভোগী নারীর বাড়িতে গিয়ে তাকে এবং তার পরিবারকে বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করেন। এমনকি থানায় ডেকে নিয়ে চলমান মামলাগুলো আপোষ করার জন্য ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগও উঠেছে।
এ বিষয়ে তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান, “অভিযুক্ত ফরহাদ হোসেন তার অভিযোগের প্রমাণ দাখিলের জন্য কয়েকদিন সময় চেয়েছেন।”
ভুক্তভোগী পক্ষের অভিযোগ, কোনো প্রমাণ ছাড়াই শুধুমাত্র লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ কর্তৃক এ ধরনের আচরণ আইনগতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ। অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগেই এভাবে চাপ প্রয়োগ ও হয়রানি বিচার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে বলেও মনে করছেন তারা।
এদিকে, ভুক্তভোগী নারী আরও দাবি করেন, থানায় অভিযোগ দেওয়ার পরদিন (৩০ মার্চ) অভিযুক্ত শিক্ষক পারিবারিক আদালতে গিয়ে তালাক কার্যকর না করেই উল্টো ৬ লাখ টাকার বিনিময়ে আপোষের প্রস্তাব দিয়েছেন।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, একটি গুরুতর প্রতারণা ও নির্যাতনের অভিযোগের ঘটনায় উল্টো ভুক্তভোগীকেই যদি হয়রানির শিকার হতে হয়, তবে তা বিচার ব্যবস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা নষ্ট করতে পারে। তারা এ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত এবং পুলিশের ভূমিকা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে নওগাঁ সদর থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য দেননি। তবে অভিযোগ পাওয়া গেলে তা তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানা গেছে।
Jili10 has some solid jili games. I am really liking the slot types. Check out Jili10 before you overlook it: jili10