
বিশেষ প্রতিনিধিঃ
নওগাঁয় নিষিদ্ধ বুম কয়েন নামক একটি অনলাইন জুয়ার ফাঁদে ফেলে মোটা অংকের টাকা লাভের স্বপ্ন দেখিয়ে নওগাঁ জেলার বদলগাছী উপজেলার সোহাসা গ্রামের সনজিত বর্মনের ছেলে বিশ্বজিৎ বর্মনের কাছে থেকে ৭ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করার চেষ্টা। পাওনা টাকা না দিয়ে উল্টো মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে অন্তর চন্দ্রের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত অন্তর চন্দ্র জেলার নিয়ামতপুর উপজেলার গোড়াই গ্রামের মনমত বর্মনের ছেলে।
সরেজমিনে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে ভুক্তভোগী বিশ্বজিৎ বর্মন বলেন, অন্তর চন্দ্র আমার দূর সর্ম্পের আত্মীয় এজন্য সবসময় তার সাথে যোগাযোগ হয়। এক পর্যায়ে অন্তর চন্দ্র বুম কয়েন নামক একটি নিষিদ্ধ অনলাইন প্লাটফর্মে মোটা অংকের লাভের স্বপ্ন দেখে টাকা ইনভেস্ট করতে বলেন। আমি তার প্রলোভনে প্ররোচিত হয়ে ৭ লক্ষ টাকা ইনভেস্ট করি। কিছুদিন অতিবাহিত হওয়ার পর আমার যখন লাভের টাকা পাওয়ার কথা তখন আমি কোনও টাকা না পেয়ে অন্তরকে আমার পুরো ৭ লক্ষ টাকা ফেরত দিতে বললে অন্তর বিভিন্ন তালবাহানা করে সময় ক্ষেপণ করে এবং এক সময় তিনি আমাকে ফোনে টাকা দিতে চেয়ে আমার এলাকায় আসেন এবং আমাকে টাকা না দিয়ে তার মোটরসাইকেল দিতে চাইলে আমি না নিতে চাওয়াই তিনি আমাকে স্ট্যাম্পে লিখে মোটরসাইকেল দিয়ে যান এবং কিছুদিন সময় নেন।
তার কয়েকদিন পর আমি জানতে পারি সে আমাকে টাকা না দেওয়ার পাঁয়তারা করে আমার নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। আমি আমার পাওনা টাকা ফেরত চাই এবং এর প্রতারকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
এ বিষয়ে বদলগাছী উপজেলার গোরশাহী গ্রামের সঞ্জয় বর্মন বলেন, অন্তর বুম কয়েনে মোটা লাভ দিতে চেয়ে বিশ্বজিতের কাছ থেকে ৭ লক্ষ টাকা নেয় কিন্তু কোন লাভ দেইনি বলে শুনেছি। তাই বিশ্বজিৎ তার ইনভেস্টের টাকা ফেরৎ চায়। কয়েকদিন আগে হটাৎ করেই অন্তর আমার কাছে এসে বলে আমি বিশ্বজিতের টাকা আজকে ফেরত দিতে আসছি আপনিও চলেন, আমি গিয়ে দেখি অন্তর টাকা ফেরত না দিয়ে তাঁর মোটরসাইকেল জমা রাখে এবং লিখিত ৩০০ টাকার স্টাম্পে স্বেচ্ছায় স্বাক্ষর করে সময় চায়। আর এখন শুনছি উল্টা বিশ্বজিতের নামেই নাকি মামলা দিয়েছে। এটা আসলে একটি প্রতারণা। এই অন্তর বেশকিছু যুবককে ধ্বংস করে ফেলেছে এই ছেলে একটি জাতীয় প্রতারক এর শাস্তি চাই।
Leave a Reply