
নিজস্ব প্রতিবেদক:
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলার মথুরাপুর ও মিঠাপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন সড়কের পাশে সামাজিক বনায়ন কর্মসূচির আওতায় লাগানো সরকারি মূল্যবান গাছ কেটে উজাড় করার অভিযোগ উঠেছে দুর্বৃত্ত চক্রের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠলেও এখনো কাউকে শনাক্ত বা আইনের আওতায় আনা হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন গ্রামীণ সড়কের সৌন্দর্য বৃদ্ধি, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সরকারি সম্পদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে বন বিভাগ, বরেন্দ্র কর্তৃপক্ষ, জেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উদ্যোগে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে সড়কের পাশে বিপুল পরিমাণ গাছ রোপণ করা হয়েছিল। সময়ের সঙ্গে এসব গাছ বড় হয়ে অর্থনৈতিকভাবেও মূল্যবান হয়ে ওঠে। তবে গত কয়েক মাস ধরে বিভিন্ন এলাকায় রাতের আঁধারে এবং সুযোগ বুঝে দিনের বেলাতেও গাছ কেটে নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, জাবারিপুরহাট থেকে গোবরচাঁপা সড়কসহ একাধিক এলাকায় সরকারি গাছ কেটে নিয়ে যাওয়া হলেও সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এতে সরকারি সম্পদ রক্ষায় দায়িত্বশীলদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা লিটন হোসেন বলেন, “গাছগুলো রাতের আঁধারে কে বা কারা কেটে নিয়ে গেছে, তা বলতে পারব না।”
স্থানীয় বাসিন্দা মারুফ হোসেন ও সুহেল রানা বলেন, “জাবারিপুর থেকে গোবরচাঁপা সড়কের গাছ যারা রাতের আঁধারে কেটে নিয়েছে, তাদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।”
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক ব্যক্তি জানান গাছগুলো কেটে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় লুকিয়ে রাখা হলেও চুরির সাথে সম্পৃক্তদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা গ্রহন করা হচ্ছে না।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গাছ কাটার ঘটনায় প্রকৃত দায়ীদের শনাক্ত করে ব্যবস্থা না নেওয়ায় একদিকে যেমন সরকারি সম্পদ হুমকির মুখে পড়ছে, অন্যদিকে পরিবেশগত ভারসাম্যও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে বদলগাছী উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. খাইরুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “আমার যোগদানের আগেই গাছগুলো চুরি হয়েছে। এখন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা তাঁর পক্ষে ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানান তিনি।
সচেতন মহলের মতে, সড়কের পাশের গাছ নির্বিচারে কেটে নেওয়ার প্রবণতা বন্ধ না হলে পরিবেশের ক্ষতির পাশাপাশি সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাবে। তারা অবিলম্বে বিষয়টি তদন্ত করে জড়িতদের শনাক্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
Great experience so far. The customer support is very responsive and helped me get my account set up in no time. Definitely a reliable spot to play. vnv168