1. admin@gonosongbad24.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভিপি জমির দখল নিয়ে সংঘর্ষ, চিকিৎসাধীন মাসুদের মৃত্যু আদমদীঘি শাঁওইল বিদ্যালয়ের শিক্ষকের অবসরজনিত বিদায় সংবর্ধনা দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের দিল্লিতে ডেকেছেন শেখ হাসিনা প্রেসক্লাব থেকে সাংবাদিক আশিক বহিষ্কার নওগাঁয় জাতীয় ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি অনুষ্ঠিত  ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পাঠদান, আতঙ্কে বদলগাছীর সন্ন্যাসতলা নাসরিন সিদ্দিকী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ড. ইউনূসকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হবে, হাইকোর্টের রায় পত্নীতলায় কার-মাইক্রো চালকদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট সরকারি নথিতে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর পদবির আগে সম্মানসূচক মহামান্য বা মাননীয় শব্দ নয় নিউইয়র্কে সোহরাওয়ার্দীর ১৩৪তম জন্মবার্ষিকী পালন করেছে জেএসএফ-বাংলাদেশ সাপাহার এক থানায় ‘দুই ওসি’, দায়িত্ব বুঝে নিতে পারছেন না নতুন ওসি ১৫ বছর ধরে অসুস্থ জুঁই, থেমে গেছে স্কুলে যাওয়া; চিকিৎসার জন্য আকুতি সমবায় সমিতির অনিয়মের সংবাদ প্রকাশ, দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা, সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ নওগাঁয় বিএমডির বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন নওগাঁর পয়না বাজারে ডিজিটাল স্টুডিওর আড়ালে জাল টাকা তৈরির অভিযোগ ৪৭ হাজার টাকার জাল নোটসহ আটক ১ রাণীনগরে ধর্ষণচেষ্টার শিকার তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী আটক মেধা বিকাশে বদলগাছীর কিন্ডারগার্টেন অ্যাসোসিয়েশনের সনদ ও ক্রেস্ট বিতরণ সিরাজগঞ্জে দীর্ঘ ৭৯ বছর ধরে পত্রিকা বিক্রি করে সংসার চালিয়ে যাচ্ছেন শাহাবুদ্দীন তালায় সমতা ফোরাম সিএসও হাবের ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত বাগাতিপাড়ায় মসজিদের দানবাক্সের তালা ভেঙে চুরি শিক্ষার মান বাড়াতে শিক্ষকদের সঠিক দায়িত্ব পালন ও স্কুলে সিসি ক্যামেরা নিশ্চিত করতে হবে—— ত্রাণমন্ত্রী দুলু বদলগাছী থেকে চুরি যাওয়া ইয়ামাহা R15 রংপুরের পীরগঞ্জ থেকে উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২ নারায়ণগঞ্জে নৌ পুলিশের এএসআইয়ের মদ্যপ অবস্থায় ভিডিও ভাইরাল সাতক্ষীরায় নিয়োগ পরীক্ষার্থীর শিশুর দায়িত্ব নিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন পুলিশ সদস্য শিল্পী সাতক্ষীরায় রইচপুর ব্রিজের দু’পাশে বেহাল দশা, জনদুর্ভোগ কমাতে স্বেচ্ছাশ্রম ও সংস্কার জয়পুরহাটে কুকুরের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, প্রাণ গেল পাহাড়পুরের তৌকিরের নিজস্ব ভবন পাচ্ছে রাণীনগর আনসার-ভিডিপি অফিস মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত-১ আহত -১৫ আদমদীঘিতে সার ব্যবসায়ীকে জেল-জরিমানা ; গুদাম সিলগালা মাদকবিরোধী সচেতনতার বার্তা নিয়ে জীবননগর থানা- পুলিশ ও জীবননগর প্রেসক্লাবের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ শ্রীবরদীতে বিজিবির অভিযানে ইজিবাইকসহ ১১ লাখ ৪০ হাজার টাকার ভারতীয় কসমেটিকস জব্দ ‘মাদককে না বলি, সুস্থ-সুন্দর জীবন গড়ি’ বাগাতিপাড়ায় মাদকবিরোধী র‍্যালি বাগাতিপাড়ায় মাদক মামলায় ইউপি সদস্য রেখা বেগম গ্রেপ্তার ডোমারে গলাকেটে মুখে বিষ ঢেলে বৃদ্ধকে হত্যার অভিযোগ। রাজবাড়ীতে লাঞ্ছিত নারী ভোক্তা অধিকারের ম্যাজিস্ট্রেট নন, একজন কাপড় ব্যবসায়ী যেসব পরিবার পাবে না “ফ্যামিলি কার্ড” আইফোন কিনতে শিশুপুত্রকে এক লাখ টাকায় বিক্রির অভিযোগ বাল্যবিয়ে বন্ধ করতে গিয়ে বাধা, আত্রাইয়ে তিনজনের কারাদণ্ড ভূরুঙ্গামারীতে বাগভান্ডার বিজিবি কতৃক ৭ বস্তা সার আটক ব্যবস্থাপত্রে ব্যথানাশক, ফার্মেসি থেকে ক্যান্সারের ওষুধ ভুল ওষুধ খেয়ে মৃত্যুর মুখে নওগাঁর আখের আলী নিউইয়র্কে বীর মুক্তিযোদ্ধা তফাজ্জল হোসেন খানকে সংবর্ধনা রাণীনগর থানায় বেড়ে ওঠা ৬ গরু এবার প্রকাশ্য নিলামে ঘুষ ও দূর্নীতির দায়ে তানোর ভূমি অফিসের কর্মচারী ইমরুল কাশেম বরখাস্ত পদ্মার তীব্র ভাঙনে গোদাগাড়ী কুঠিপাড়ায় ভিটেমাটি হারানোর আতঙ্ক; বাঁধ নির্মাণের আকুল দাবি সাতক্ষীরায় প্রতিমা তৈরিতে নতুন চমক : দেসলাই কাঠি আর নকশি সুতায় দুর্গা নন্দীগ্রামে মানসিক ভারসাম্যহীন রোগীর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে শিশুর মৃত্যু বগুড়ায় ‘ভাই-বোন ফুচকা ও চটপটি’ কারখানায় অভিযান, ভ্রাম্যমান আদালতে এক লাখ টাকা জরিমানা রাণীনগরে বাল্য বিয়ের কাগজ চাওয়ায় মারপিটের শিকার গৃহবধূ সুমি ॥ সুষ্ঠ বিচারের আশায় ঘুরছেন দ্বারে দ্বারে নওগাঁয় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে দুই কিশোর কারাগারে সাংবাদিকের ছবি পোস্ট করে অপপ্রচার ও হুমকির অভিযোগ, আমির উদ্দিন বাবুর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

মিথ্যা অভিযোগে আদালতের কর্মচারীকে হয়রানি, ‘উড়ো চিঠির’ নেপথ্যে কারা?

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬
  • ৪৭১ বার পঠিত

বিশেষ প্রতিনিধি:

নওগাঁ জেলা জজ আদালতের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ-২ আদালতের সেরেস্তাদার মোঃ মামুনুর রশিদ বাঁধনের বিরুদ্ধে একের পর এক বেনামি ও উড়ো অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার ঘটনায় নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে অভিযোগকারীদের পরিচয়, উদ্দেশ্য এবং অভিযোগের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, ব্যক্তিগত স্বার্থ চরিতার্থ করা, মানহানি এবং প্রশাসনিক ও ব্যক্তিগত হয়রানি সৃষ্টি করতেই একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে এসব অভিযোগ দাখিল করছে।
সম্প্রতি মোঃ রবিউল ইসলাম, পিতা-মৃত তমিজ উদ্দিন, সাং-তিলনা, সাপাহার, নওগাঁ নাম ব্যবহার করে একটি লিখিত অভিযোগ বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়। অভিযোগে আদালতের কর্মচারী মোঃ মামুনুর রশিদ বাঁধন ও অন্যদের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য, তদবির বাণিজ্য, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং বিভিন্ন অনিয়মের মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।
তবে অভিযোগের বিভিন্ন অংশ পর্যালোচনায় বেশ কিছু অসঙ্গতি সামনে এসেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, অভিযোগকারী নিজে কীভাবে এত বিস্তৃত তথ্য সংগ্রহ করেছেন, তার উৎস কী, অভিযোগে উল্লেখিত ঘটনাগুলোর প্রত্যক্ষ সাক্ষী ছিলেন কিনা এবং দীর্ঘদিন পর হঠাৎ কেন এসব অভিযোগ উত্থাপন করা হলো এসব প্রশ্নের কোনো সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো আরও জানায়, এ পর্যন্ত নওগাঁ জেলা ও দায়রা জজ বরাবরে একই ধরনের মোট তিনটি অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে, যেগুলোর অভিযোগের ধরন, ভাষা ও উপস্থাপনায় উল্লেখযোগ্য মিল রয়েছে। এসব অভিযোগের মধ্যে একটিতে রফিক জোয়রদার নাম ব্যবহার করা হয়েছে এবং অপরটিতে রবিউল ইসলাম নামে অভিযোগকারী উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে আরও একটি অভিযোগে ইব্রাহীম, পিতা-আব্দুল হান্নান নামে একজনের পরিচয় ব্যবহার করা হয়।
সাপাহার উপজেলার পাতাড়ী ইউনিয়নের কলমুডাঙ্গা এলাকায় সেরেস্তাদার মামুনুর রশিদ বাঁধনের বিরুদ্ধে উড়ো চিঠির মাধ্যমে অভিযোগকারী হিসেবে উল্লেখ করা ‘ইব্রাহীম, পিতা-আব্দুল হান্নান’ নামে কোনো ব্যক্তির অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি বলে স্থানীয় ইউপি সদস্য মাসুদ রানা, মনিরুল ইসলাম সহ একাধিক ব্যক্তি দাবি করেছেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই নাম-পরিচয়ের কোনো ব্যক্তি এলাকায় বসবাস করেন না। এতে অভিযোগগুলোর পেছনে কোনো অজ্ঞাত ব্যক্তি বা সংঘবদ্ধ চক্রের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কিনা, তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
এদিকে অভিযোগকারী রবিউল ইসলাম সম্পর্কেও স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেছেন কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা। তাদের মতে, প্রকৃত পরিচয় গোপন রেখে বেনামি বা ভুয়া পরিচয়ে অভিযোগ করে শুধুমাত্র প্রশাসনিক হয়রানির উদ্দেশ্য থাকতে পারে।
অভিযোগগুলোর ভাষা, উপস্থাপন ও বিষয়বস্তু বিশ্লেষণ করে সংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন, এগুলো কি সত্যিই ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তির স্বতন্ত্র অভিযোগ, নাকি কোনো একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন ব্যক্তির নাম ব্যবহার করে ধারাবাহিকভাবে একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করছে? একই ধরনের তিনটি অভিযোগের পেছনে কোনো ‘মাস্টারমাইন্ড’ বা ইন্ধনদাতা রয়েছে কিনা, সেটিও এখন আলোচনায় এসেছে।
আদালতের একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বিচার বিভাগীয় নিয়োগ একটি কেন্দ্রীয় ও বিধিবদ্ধ প্রক্রিয়া। একজন সেরেস্তাদার বা পেশকারের পক্ষে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করার কোনো এখতিয়ার নেই। মেধা, লিখিত পরীক্ষা, মৌখিক পরীক্ষা এবং নির্ধারিত বিধি-বিধানের মাধ্যমেই নিয়োগ সম্পন্ন হয়ে থাকে।
তাদের দাবি, অভিযোগে যেসব নিয়োগ বাণিজ্যের কথা বলা হয়েছে, সেগুলোর পক্ষে কোনো প্রামাণ্য দলিল, আর্থিক লেনদেনের তথ্য, ব্যাংক হিসাব, ভুক্তভোগীর জবানবন্দি কিংবা নির্দিষ্ট সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। অভিযোগে যেসব ১২ জনের নিয়োগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সেরেস্তাদার মামুনুর রশিদ বাঁধনের কোনো প্রশাসনিক ক্ষমতা বা সিদ্ধান্ত গ্রহণের এখতিয়ার ছিল না বলেও তারা দাবি করেন।
সংশ্লিষ্ট মহলের প্রশ্ন, যদি অভিযোগগুলো সত্য হয়ে থাকে, তাহলে এতদিন অভিযোগকারীরা নীরব ছিলেন কেন? তারা আগে কোনো আইনগত প্রতিকার চাননি কেন? অভিযোগের তথ্যের উৎস কী? অভিযোগকারী নিজে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি কিনা, নাকি তৃতীয় কোনো পক্ষের হয়ে কাজ করছেন? একই ধরনের অভিযোগ বারবার বিভিন্ন নামে জমা দেওয়ার উদ্দেশ্য কী? এসব প্রশ্নের উত্তর অনুসন্ধান করাও জরুরি বলে মনে করছেন তারা।
স্থানীয়দের মতে, যদি তিনটি অভিযোগই ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়, তাহলে এর পেছনে থাকা প্রকৃত ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে চিহ্নিত করা প্রয়োজন। কারণ, ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তির নাম ব্যবহার করে ধারাবাহিকভাবে উড়ো ও বেনামি অভিযোগ দাখিল করা হলে তা শুধু একজন কর্মচারীকে প্রশাসনিকভাবে হয়রানির মধ্যে ফেলে না, বরং বিচার বিভাগীয় প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কার্যক্রমেও অযথা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে।
এদিকে অভিযুক্ত সেরেস্তাদার মোঃ মামুনুর রশিদ বাঁধনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিচার বিভাগের প্রতি আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আমি আশা করি, অবশ্যই ন্যায়বিচার পাব। যেসব বিষয়ের সঙ্গে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই, সেসব মিথ্যা অভিযোগ এনে আমাকে হয়রানি করা হচ্ছে। বিষয়টি যেহেতু মিথ্যা ও ভিত্তিহীন, অভিযোগকারীর পক্ষে আনীত অভিযোগের সত্যতা নেই। এ বিষয়ে আমি আমাদের অভিভাবক মাননীয় সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মহোদয়ের নিকট অব্যাহতি প্রার্থণা করব।
আইন সংশ্লিষ্টদের মতে, কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করার অধিকার সবার রয়েছে। তবে অভিযোগ অবশ্যই তথ্য-প্রমাণনির্ভর হতে হবে। মিথ্যা, বেনামি বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগের মাধ্যমে কাউকে হয়রানি, মানহানি বা প্রশাসনিক চাপে ফেলার চেষ্টা করা হলে, সেটিও তদন্তসাপেক্ষ বিষয়। অভিযোগকারীদের প্রকৃত পরিচয়, তাদের পারস্পরিক যোগাযোগ, অভিযোগের তথ্যের উৎস, কারা অভিযোগের খসড়া প্রস্তুত করেছে এবং কী উদ্দেশ্যে ধারাবাহিকভাবে একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে, সেগুলোও তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বর্তমানে অভিযোগের সত্যতা ও নেপথ্যের কারণ উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে, উড়ো অভিযোগের মাধ্যমে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করার পেছনে কারা জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে এ ধরনের অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে, সেটিও খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

Facebook Comments Box

Please Share This Post in Your Social Media

One response to “মিথ্যা অভিযোগে আদালতের কর্মচারীকে হয়রানি, ‘উড়ো চিঠির’ নেপথ্যে কারা?”

  1. phspinplus says:

    The bonuses here are insane! I managed to hit a nice win last night. Highly recommend phspinplus to everyone looking for a lucky streak.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
Theme Customized By Shakil IT Park