1. admin@gonosongbad24.com : admin :
সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০৩:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চকরিয়ায় প্রশাসনের নির্দেশনার পরও বৃত্তি আয়োজনের অভিযোগ ধামইরহাটে অসহায় ৮০ পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ জয়পুরহাটে বসতঘরের আলমারিতে ৯০০ টাপেন্টাডল, ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার রাণীনগরে জাতীয় যুব দিবস উদযাপন নওগাঁয় জেলা পুলিশের অভিযানে উদ্ধার ৮০টি হারানো মোবাইল, মালিকদের কাছে হস্তান্তর নওগাঁয় ডিবি পুলিশের রাতভর অভিযান, ২৪ কেজি গাঁজাসহ গ্রেপ্তার ৪ বদলগাছীতে যুবদলের কর্মীসভা অনুষ্ঠিত ভুয়া চিকিৎসাপত্র আর ৯ গুলির ‘নাটক’: শেখ হাসিনাসহ ৮৪ আসামিকে অব্যাহতির সুপারিশ পুলিশের বগুড়ার কাহালুতে গলায় ফাঁস দিয়ে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু  বদলগাছী হাসপাতালে দুই নার্সের রোস্টার বিরোধ: সহকর্মীকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করার অভিযোগ, তিন দিনেও ব্যবস্থা নেই বদলগাছীর বিলাশ বাড়ী ইউনিয়নে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ সিজন-২-এর উদ্বোধন নওগাঁয় পুলিশের অভিযানে দুটি চোরাই চার্জার অটোরিকশা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ কুড়িগ্রামে এসএসবিসি প্রকল্পের আয়োজনে মাতৃ, নবজাতক, শিশু, কিশোর-কিশোরীদের স্বাস্থ্য ও বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে মতবিনিময় সভা বদলগাছীতে ভিডব্লিউবি’র ১৯০০ কেজি চাল জব্দ: বাজারে বিক্রির সময় গুদাম থেকে আটক শেরপুর সীমান্তে ১৪৭ বোতল ইস্কাফ সিরাপ জব্দ বদলগাছীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতারণা ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২, মোটরসাইকেল উদ্ধার রাণীনগরে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেলের কাজ ৮৫ শতাংশ সম্পন্ন, জুলাইয়ে চালু আমু-শাজাহানসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের হেভিওয়েট নেতাদের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ভারতে প্রবেশ প্রায় বন্ধ, শেরপুর সীমান্তে আটকে পড়া হাতিগুলোর কী হবে? ষষ্ঠ শ্রেণির আইসিটি বই মুদ্রণজনিত ত্রুটি সংশোধনে ফেরতের নির্দেশ ‘উই রিভোল্ট’—পাঠ্যবইয়ে যেভাবে তুলে ধরা হচ্ছে জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক ডায়েরির কথা সরকারের সমালোচনা করায় নারীকে পুলিশে দিল বিএনপি নেতা-কর্মীরা বিভাগীয় কমিশনারের নির্দেশেও তথ্য দেয়নি সিলেট জেলা প্রশাসন দিনের ছবি (২৬ অক্টোবর, ২০২৬) কতটা ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড় অর্ণব, কবে-কোথায় আঘাত হানবে শুভ নাকি অশুভ শক্তি ঢাকা-কক্সবাজার রুটে আজ থেকে চলবে ‘মহানগর এক্সপ্রেস’ শিল্পের সঙ্গে উচ্চশিক্ষার যোগসূত্র গড়ছে বিইউএফটি চিকিৎসাশিক্ষায় ৬৩ শতাংশই ছাত্রী, ডেন্টাল ও নার্সিংয়েও এগিয়ে রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর বেতন বৃদ্ধিতে ধীরে চলো নীতি ধর্ম যার যার… ইউরোপজুড়ে তরুণদের বিক্ষোভ, কেন ফুঁসছে জেন–জি? মধ্যপ্রাচ্যে ভেতরে-ভেতরে ‘লিবারেল বিপ্লব’ নিষিদ্ধ হয়েছিল নাটকটি, স্তালিন দেখেছিলেন ১৪ বার মাদক কারবার: দম্পতির ব্যাংক হিসাবে ১৩ কোটি লেনদেন ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে চতুর্থ মেয়াদে জয়ী লুলা মাদারীপুরের চরমুগরিয়া: ইকোপার্কের নির্মাণকাজ বন্ধ, চুরি হচ্ছে মালামাল সৌদিতে নিরাপত্তাঝুঁকি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ, মার্কিন নাগরিকদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ সৌদি আরবে থাকা রোহিঙ্গাদের জন্য বিশেষ পাসপোর্ট জাপানের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভুটানের বিপক্ষে থাকছেন হামজা-ফারহান দীর্ঘদিনের ক্ষমতার অবসান, সার্বিয়ার নির্বাচনে শিক্ষার্থীদের জয় সিলেটে ২০ শ্রমিকের পরিবার পেল ১০ লাখ টাকা অনুদান এমবাপ্পের জোড়া গোলে তছনছ বার্সার ঘর মির্জাপুরে মহাসড়কের পাশে পড়ে আছে মেয়াদোত্তীর্ণ সরকারি ওষুধ মিথিলার কণ্ঠে নতুন গান ‘ভালোবাসি আমি তোমায় বোঝাবো’ চিকিৎসাসেবা বঞ্চিত পাঁচ লাখ মানুষ ডেন্টাল হাইজিনিস্ট থেকে শিল্পী, ফ্লোরিডায় উদ্যোক্তা হিসেবে এগিয়ে চলেছেন সন্দ্বীপের জাহান রিমা চট্টগ্রাম থেকে পরীমনির জন্য ফুল পাঠালেন কে? জয়ের প্রশ্নে নায়িকার জবাব

মিথ্যা অভিযোগে আদালতের কর্মচারীকে হয়রানি, ‘উড়ো চিঠির’ নেপথ্যে কারা?

  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬
  • ৫০৮ বার পঠিত

বিশেষ প্রতিনিধি:

নওগাঁ জেলা জজ আদালতের যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ-২ আদালতের সেরেস্তাদার মোঃ মামুনুর রশিদ বাঁধনের বিরুদ্ধে একের পর এক বেনামি ও উড়ো অভিযোগপত্র জমা দেওয়ার ঘটনায় নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে অভিযোগকারীদের পরিচয়, উদ্দেশ্য এবং অভিযোগের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, ব্যক্তিগত স্বার্থ চরিতার্থ করা, মানহানি এবং প্রশাসনিক ও ব্যক্তিগত হয়রানি সৃষ্টি করতেই একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে এসব অভিযোগ দাখিল করছে।
সম্প্রতি মোঃ রবিউল ইসলাম, পিতা-মৃত তমিজ উদ্দিন, সাং-তিলনা, সাপাহার, নওগাঁ নাম ব্যবহার করে একটি লিখিত অভিযোগ বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়। অভিযোগে আদালতের কর্মচারী মোঃ মামুনুর রশিদ বাঁধন ও অন্যদের বিরুদ্ধে নিয়োগ বাণিজ্য, তদবির বাণিজ্য, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং বিভিন্ন অনিয়মের মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।
তবে অভিযোগের বিভিন্ন অংশ পর্যালোচনায় বেশ কিছু অসঙ্গতি সামনে এসেছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, অভিযোগকারী নিজে কীভাবে এত বিস্তৃত তথ্য সংগ্রহ করেছেন, তার উৎস কী, অভিযোগে উল্লেখিত ঘটনাগুলোর প্রত্যক্ষ সাক্ষী ছিলেন কিনা এবং দীর্ঘদিন পর হঠাৎ কেন এসব অভিযোগ উত্থাপন করা হলো এসব প্রশ্নের কোনো সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো আরও জানায়, এ পর্যন্ত নওগাঁ জেলা ও দায়রা জজ বরাবরে একই ধরনের মোট তিনটি অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়েছে, যেগুলোর অভিযোগের ধরন, ভাষা ও উপস্থাপনায় উল্লেখযোগ্য মিল রয়েছে। এসব অভিযোগের মধ্যে একটিতে রফিক জোয়রদার নাম ব্যবহার করা হয়েছে এবং অপরটিতে রবিউল ইসলাম নামে অভিযোগকারী উল্লেখ করা হয়েছে। এর আগে আরও একটি অভিযোগে ইব্রাহীম, পিতা-আব্দুল হান্নান নামে একজনের পরিচয় ব্যবহার করা হয়।
সাপাহার উপজেলার পাতাড়ী ইউনিয়নের কলমুডাঙ্গা এলাকায় সেরেস্তাদার মামুনুর রশিদ বাঁধনের বিরুদ্ধে উড়ো চিঠির মাধ্যমে অভিযোগকারী হিসেবে উল্লেখ করা ‘ইব্রাহীম, পিতা-আব্দুল হান্নান’ নামে কোনো ব্যক্তির অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি বলে স্থানীয় ইউপি সদস্য মাসুদ রানা, মনিরুল ইসলাম সহ একাধিক ব্যক্তি দাবি করেছেন। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই নাম-পরিচয়ের কোনো ব্যক্তি এলাকায় বসবাস করেন না। এতে অভিযোগগুলোর পেছনে কোনো অজ্ঞাত ব্যক্তি বা সংঘবদ্ধ চক্রের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কিনা, তা নিয়েও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
এদিকে অভিযোগকারী রবিউল ইসলাম সম্পর্কেও স্থানীয়ভাবে খোঁজ নিয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেছেন কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দা। তাদের মতে, প্রকৃত পরিচয় গোপন রেখে বেনামি বা ভুয়া পরিচয়ে অভিযোগ করে শুধুমাত্র প্রশাসনিক হয়রানির উদ্দেশ্য থাকতে পারে।
অভিযোগগুলোর ভাষা, উপস্থাপন ও বিষয়বস্তু বিশ্লেষণ করে সংশ্লিষ্টদের প্রশ্ন, এগুলো কি সত্যিই ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তির স্বতন্ত্র অভিযোগ, নাকি কোনো একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন ব্যক্তির নাম ব্যবহার করে ধারাবাহিকভাবে একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করছে? একই ধরনের তিনটি অভিযোগের পেছনে কোনো ‘মাস্টারমাইন্ড’ বা ইন্ধনদাতা রয়েছে কিনা, সেটিও এখন আলোচনায় এসেছে।
আদালতের একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বিচার বিভাগীয় নিয়োগ একটি কেন্দ্রীয় ও বিধিবদ্ধ প্রক্রিয়া। একজন সেরেস্তাদার বা পেশকারের পক্ষে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করার কোনো এখতিয়ার নেই। মেধা, লিখিত পরীক্ষা, মৌখিক পরীক্ষা এবং নির্ধারিত বিধি-বিধানের মাধ্যমেই নিয়োগ সম্পন্ন হয়ে থাকে।
তাদের দাবি, অভিযোগে যেসব নিয়োগ বাণিজ্যের কথা বলা হয়েছে, সেগুলোর পক্ষে কোনো প্রামাণ্য দলিল, আর্থিক লেনদেনের তথ্য, ব্যাংক হিসাব, ভুক্তভোগীর জবানবন্দি কিংবা নির্দিষ্ট সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। অভিযোগে যেসব ১২ জনের নিয়োগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সেরেস্তাদার মামুনুর রশিদ বাঁধনের কোনো প্রশাসনিক ক্ষমতা বা সিদ্ধান্ত গ্রহণের এখতিয়ার ছিল না বলেও তারা দাবি করেন।
সংশ্লিষ্ট মহলের প্রশ্ন, যদি অভিযোগগুলো সত্য হয়ে থাকে, তাহলে এতদিন অভিযোগকারীরা নীরব ছিলেন কেন? তারা আগে কোনো আইনগত প্রতিকার চাননি কেন? অভিযোগের তথ্যের উৎস কী? অভিযোগকারী নিজে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি কিনা, নাকি তৃতীয় কোনো পক্ষের হয়ে কাজ করছেন? একই ধরনের অভিযোগ বারবার বিভিন্ন নামে জমা দেওয়ার উদ্দেশ্য কী? এসব প্রশ্নের উত্তর অনুসন্ধান করাও জরুরি বলে মনে করছেন তারা।
স্থানীয়দের মতে, যদি তিনটি অভিযোগই ভিত্তিহীন প্রমাণিত হয়, তাহলে এর পেছনে থাকা প্রকৃত ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে চিহ্নিত করা প্রয়োজন। কারণ, ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তির নাম ব্যবহার করে ধারাবাহিকভাবে উড়ো ও বেনামি অভিযোগ দাখিল করা হলে তা শুধু একজন কর্মচারীকে প্রশাসনিকভাবে হয়রানির মধ্যে ফেলে না, বরং বিচার বিভাগীয় প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক কার্যক্রমেও অযথা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে।
এদিকে অভিযুক্ত সেরেস্তাদার মোঃ মামুনুর রশিদ বাঁধনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, বিচার বিভাগের প্রতি আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে। আমি আশা করি, অবশ্যই ন্যায়বিচার পাব। যেসব বিষয়ের সঙ্গে আমার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই, সেসব মিথ্যা অভিযোগ এনে আমাকে হয়রানি করা হচ্ছে। বিষয়টি যেহেতু মিথ্যা ও ভিত্তিহীন, অভিযোগকারীর পক্ষে আনীত অভিযোগের সত্যতা নেই। এ বিষয়ে আমি আমাদের অভিভাবক মাননীয় সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ মহোদয়ের নিকট অব্যাহতি প্রার্থণা করব।
আইন সংশ্লিষ্টদের মতে, কোনো সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করার অধিকার সবার রয়েছে। তবে অভিযোগ অবশ্যই তথ্য-প্রমাণনির্ভর হতে হবে। মিথ্যা, বেনামি বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অভিযোগের মাধ্যমে কাউকে হয়রানি, মানহানি বা প্রশাসনিক চাপে ফেলার চেষ্টা করা হলে, সেটিও তদন্তসাপেক্ষ বিষয়। অভিযোগকারীদের প্রকৃত পরিচয়, তাদের পারস্পরিক যোগাযোগ, অভিযোগের তথ্যের উৎস, কারা অভিযোগের খসড়া প্রস্তুত করেছে এবং কী উদ্দেশ্যে ধারাবাহিকভাবে একই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে, সেগুলোও তদন্তের আওতায় আনা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বর্তমানে অভিযোগের সত্যতা ও নেপথ্যের কারণ উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সঙ্গে, উড়ো অভিযোগের মাধ্যমে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সুনাম ক্ষুণ্ন করার পেছনে কারা জড়িত এবং কী উদ্দেশ্যে এ ধরনের অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে, সেটিও খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

Facebook Comments Box

Please Share This Post in Your Social Media

One response to “মিথ্যা অভিযোগে আদালতের কর্মচারীকে হয়রানি, ‘উড়ো চিঠির’ নেপথ্যে কারা?”

  1. phspinplus says:

    The bonuses here are insane! I managed to hit a nice win last night. Highly recommend phspinplus to everyone looking for a lucky streak.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরও খবর
Theme Customized By Shakil IT Park