
আব্দুর রউফ রিপন, নওগাঁ প্রতিনিধি:
নওগাঁর রাণীনগরে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের পল্লীগুলো পরিদর্শন করেছেন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের যুগ্ম সচিব ও আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মো: মনিরুল ইসলাম পাটওয়ারী। এসময় তিনি বাসিন্দাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন এবং সার্বিক খোঁজ খবর নেন।
সোমবার সরকারি সফরের অংশ হিসেবে তিনি উপজেলার চৌধুরীপুকুর ও মালিপুকুর আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরগুলো পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি আশ্রয়ণের বাসিন্দাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনেন এবং সার্বিক খোঁজখবর নেন। এছাড়াও তিনি উপজেলার রক্তদহ বিল পর্যটন এলাকা ও পাখি পল্লী পরিদর্শন করেন। এসময় নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো: সোহেল রানা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রাকিবুল হাসান, সহকারি কমিশনার (ভ’মি) শেখ নওশাদ হাসান, আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের সহকারি প্রকৌশলী ইসতিয়াক নাসির, উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, কর্মচারীরা প্রকল্প পরিচালকের সঙ্গে ছিলেন। পরে তিনি উপজেলা পরিষদের নতুন ভবনে ইউএনও’র কার্যালয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারী, সংবাদকর্মী, জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে উপজেলায় ইউএনও হিসেবে কর্মরত থাকাকালীন সময়ের বিভিন্ন স্মৃতি তুলে ধরেন। এর আগে তিনি গত সোমবার কুড়িগ্রাম উপজেলার চিলমারী উপজেলার বিভিন্ন আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প পরিদর্শন করেন।
এসময় তিনি বলেন সদিচ্ছা থাকলে একজন কর্মকর্তা ওই উপজেলাসহ উপজেলার মানুষের জন্য অনেক ভালো কিছু করতে পারেন। আমার পরবর্তি সময়ে একাধিক ইউএনও এই উপজেলার মানুষদের জন্য অনেক ভালো কাজ করে গেছেন। কাজের মাধ্যমে এই উপজেলার মানুষরা এখনোও আমাকে স্মরণ করে এটিই জীবনের শ্রেষ্ঠ প্রাপ্তি। তাই যে যার স্থান থেকে দেশের জন্য দেশের মানুষের জন্য ভালো কিছু করার চেস্টা করলেই আমাদের দেশটি আরো অনেক এগিয়ে যেতো। বিশেষ করে দেশের পিছিয়ে পড়া ও সুবিধাবঞ্চিত অসহায়, গরীব ও দু:স্থ মানুষদের মাঝে সরকারের বরাদ্দকৃত সুযোগ-সুবিধাগুলো সঠিক ভাবে পৌছে দিতে পারলেই একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা সম্ভব এবং সেই প্রত্যয় নিয়ে সবাইকে কাজ করার প্রতি তিনি আহ্বান জানান।
ইতিপূর্বে মো: মনিরুল ইসলাম পাটওয়ারী রাণীনগর উপজেলায় নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে সোয়া তিনবছর কর্মরত ছিলেন। তিনি উপজেলার ইউএনও থাকাকালীন সময়ে উপজেলা পরিষদসহ পুরো উপজেলাকে আধুনিকায়ন করতে অনেক উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করেছেন। বিশেষ করে অবৈধ দখলে থাকা জায়গা উচ্ছেদ করে উন্মুক্ত উপজেলা পরিষদকে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের মাধ্যমে নিরাপত্তার বলয়ে আবৃত করেছেন। এছাড়া উপজেলার একাধিক ইউনিয়নে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নির্মাণ করে আশ্রয়হীনদের জন্য আশ্রয়ের ব্যবস্থা করেছেন। তিনি উপজেলাবাসীর জন্য এই রকম অনেক উন্নয়নমূলক কাজ করে গেছেন।
Leave a Reply